রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মিল্টন-জাহাঙ্গীর পরিষদ সবার সেরা’ স্লোগানে মিরপুরে ছাত্রদলের বিশাল মিছিল  আশুলিয়ায় পোশাক শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন, গাড়িতে ভাংচুর করে আগুন দিয়েছে শ্রমিকরা আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামি ও সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় এনামুল গ্রেফতার আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশ কর্তৃক ৫২ কেজি গাঁজাসহ একজন পেশাদার মাদক কারবারী গ্রেফতার একটি গাড়ী ‍উদ্ধার বাংলাবাজার পত্রিকার সাংবাদিক জাহাঙ্গীর প্রধানকে প্রাণনাশের হুমকি-আশুলিয়া থানায় জিডি পশ্চিম ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে তৎপরতা, আলোচনায় একাধিক নেতা আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তিকে বাংলাদেশে আর কোনদিন রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিরপুরের ঐতিহ্যবাহী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে সুশাসন ও শিক্ষার মান উন্নয়নের সুবাতাস বইছে প্রতিবেশী দেশ থেকে মাদক ঢুকিয়ে যুবসমাজ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে : প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

বিভিন্ন ব্যাংকে বিএনপি নেতাদের অ্যাকাউন্টের তথ্য চেয়ে দুদকের নোটিশ

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বুধবার, ৪ এপ্রিল, ২০১৮
  • ১৭০ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ- 

১২৫ কোটি টাকা সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে বিএনপির ৮ শীর্ষ নেতাসহ ১০ জনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য চেয়ে বিভিন্ন ব্যাংকে নোটিশ পাঠিয়েছে দুদক।

দুদক সূত্রে জানা যায়, যাদের অ্যাকাউন্টের তথ্য চাওয়া হয়েছে তারা হলেন- নজরুল ইসলাম খান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মির্জা আব্বাস, আবদুল আওয়াল মিন্টু, তাবিথ আউয়াল, যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, মোর্শেদ খান ও তার সন্তান ফয়সাল মোর্শেদ খান এবং ঢাকা ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান।

মানি লন্ডারিং ও সন্দেহজনক লেনদেনসহ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বিএনপির শীর্ষস্থানীয় আট নেতার বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে বিভিন্ন ব্যাংকে হিসাবে ১২৫ কোটি টাকার ‘সন্দেহজনক’ লেনদেনের একটি অভিযোগ তদন্তে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এর আগে বিএনপির শীর্ষ ১০ নেতার ব্যাংক লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য অনুসন্ধান প্রসঙ্গে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, দুদক কাউকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও হয়রানি করতে অনুসন্ধান বা তলব করে না। আর্থিক অনিয়মের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আমরা ব্যক্তির অপরাধকে গণ্য করি। যদি কোনো রাজনৈতিক নেতা তদন্তে নির্দোষ প্রমাণিত হন, তাহলে আমরা তাকে আইনের আওতায় আনবো না।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451