মোঃ ফাহিম আহম্মেদ রিয়াদ (বগুড়া)ঃ অতিরিক্ত চাঁদা আদায় বদ্ধের দাবিতে
সিএনজি (অটো-টেম্পু) শ্রমিকদের অবরোধ কর্মসূচীর কারণে যাত্রী
সাধারণ চরম ভোগান্তি শিকার। আর এ কারণে নির্ধারিত ভাড়ার বিপরীতে
তাদের গুণতে হচ্ছে চার গুণ ভাড়া। সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, কাহালু
চারমাথা থেকে সাতমাথা, রেলগেট পুরান বগুড়া থেকে সাতমাথায়
সিএনজি চলাচলে অটোটেম্পু অটোরিক্সা ও সিএনজি মালিক সমিতি
যার রেজি নং ৯১২ পার্ক রোড সাতমাথা ঠিকানার চেইন ¯িøপের বিপরীতে
এতোদিন যেখানে ৬৫ টাকা সেখানে ২০টাকা বেড়ে ৮৫ টাকাসহ অন্যান্য
স্থানের মিলে আরো ৪০ টাকাসহ সর্বমোট ১০৫ টাকার বিপরীতে ২০ টাকা
বেড়ে বৃহস্পতিবার থেকে বেড়ে তা ১২৫টাকা, কাহালু থেকে সাতমাথায়
১৩৫ টাকার বিপরীতে ১৫০টাকা করলে সকাল থেকেই সিএনজি চালকরা
গাড়ী বন্ধ করে প্রতিবাদে নামে। এঘটনায় তারা বেলা ১২টায় তিনমাথা
রেলগেট পুরানবগুড়ায় অবস্থান নিয়ে সিএনজি চলাচলে বাধার সৃষ্টি করে।
এতে করে তিনমাথা থেকে সাতমাথায় আসতে যেখানে ৫টাকা দিয়ে যেতে
পারতো সেখানে রিক্সায় ২০টাকা দিতে হচ্ছে। একই অবস্থা জেলার সব
রোডে। একারণে সকাল থেকেই শুরু হওয়া এসএসসি পরীক্ষার্থীরা ব্যাপক
বিপাকে পড়েন। একে তো পরীক্ষা আবার দূর-দুরান্ত থেকে আসা শিক্ষার্থীদের
জন্য অতিরিক্ত ভাড়ার চাপ তাদের চরম ভোগান্তিতে ফেলে। বগুড়ার সকল রোডে
একই অবস্থা হওয়া যাত্রী সাধারনের চরমভোগান্তি হলেও প্রশাসনের যেমন
নিরবতা রয়েছে তেমনি সমিতির নেতৃবৃন্দও অনড় অবস্থা। এঅবস্থায়
উভয়পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করছে সাধারন শ্রমিকরা। ইতিমধ্যে
সমিতির পক্ষে শাকপালায় গাড়ি বন্ধরাখায় ও গাড়ি চলাচলে বাধা দেয়ায়
কোরবান, আরাফাত ও শহীদুল নামে তিনজন চালককে মারপিট করা হয়েছে বলে
জানিয়েছেন শ্রমিকরা। শ্রমিকরা এর প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন,
অবিলম্বে চাঁদা বন্ধ করে সাধারন শ্রমিকদের প্রতি জুলুম নির্যাতন বন্ধ
করা না হলে কঠোর আন্দোলন ও সাংবাদিক সম্মেলন করা হবে। তারা এর জন্য
প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এসময় শ্রমিক নেতা তরিকুল ইসলামসহ
আলম, সাব্বির, স্বপন,নূর, আনিস, আল-আমিন, শামিলসহ শতশত শ্রমিক
একজোট হয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে সরকার প্রধানসহ
যোগাযোগ মন্ত্রী ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। উল্লেখ্য, বগুড়া
জেলা অটোটেম্পু অটোরিক্সা ও সিএনজি মালিক সমিতি যার রেজি নং
৯১২ পার্ক রোড সাতমাথা ঠিকানার চেইন ¯িøপে যে টাকা উত্তোলন করা
হয় তাতে কোন টাকা উল্লেখ না করে চেইন মাস্টারের স্বাক্ষর দিয়েই তোলা হয়
বলে জানিয়েছে শ্রমিকরা।