সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

লোহাগড়ায় ৭৫ ফুট ব্রিজের অভাবে ঘুরে যেতে হয় ৮ কিঃ মিঃ পথ

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০১৮
  • ২১৭ বার পড়া হয়েছে

 

শরিফুল ইসলাম নড়াইল ঃ
নড়াইলের লোহাগড়ার মল্লিকপুর ইউপি’র মাত্র ৭৫ ফুট ব্রিজের অভাবে
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খলিশাখালি এলাকায় নবগঙ্গা নদীর ওপর একটি
বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন পারাপার হন মল্লিকপুর ইউনিয়ন ও
পৌরসভার শত শত মানুষ ।
গতকাল সোমবার বিকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার
মল্লিকপুর ইউনিয়ন ও লোহাগড়া পৌরসভার মধ্যে দিয়ে বয়ে গেছে
নবগঙ্গা নদী , যা এখন মরা খালে পরিনত হয়েছে। এ খালের এক পাড়ে
রয়েছে মল্লিকপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং অপর পাড়ে রয়েছে পার-
মল্লিকপুরসহ লোহাগড়া পৌরসভার খলিশাখালী ,গোপিনাথপু ও
রাজুপুর গ্রাম । নবগঙ্গা খালের পাড়েই রয়েছে, মল্লিকপুরø ইউনিয়ন
পরিষদ কার্যালয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কওমী মাদ্রাসা,
ইউনিয়ন স¦াস্থ্য কেন্দ্র ও মল্লিকপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ।
প্রতিদিন শতশত শিক্ষার্থী, ইউনিয়ন ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আসা
লোকজনকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নবগঙ্গা খালের ওপর নির্মিত বাঁশের
সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে হয়। ঝুঁকি পূর্ণ এই সাঁকো দিয়ে
স¦াস্থ্য কেন্দ্রে যেতে সাহস পায়না কোন গর্ভবতী ও প্রসুতি
মহিলারা । সাকো পার হয়ে বিদ্যালয়ে যেতে চায়না প্রাথমিক
বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থীরা । এছাড়া প্রায়ই শিক্ষার্থী ও পথচারিরা
সাঁকো থেকে পড়ে আহত হয়েছে। চরমল্লিকপুর সরকারি প্রাথমিক
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চায়না খানম বলেন, সাঁকোর অপর পাড়ে
রয়েছে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণির শতাধিক ছাত্রছাএী। এখানে
একটি ব্রিজ হলে ছাত্র সংখ্যা যেমন বৃদ্ধি পেত, তেমনি টিফিনের
সময় বাড়ি থেকে সহজে খেয়ে আসতে পারতো । চরমল্লিকপুর কওমি
মাদ্রাসার মোহতামিম আবু তালহা জানান, আমার ১৫০ জন ছাত্র অপর
পাড়ে লজিং থাকে । তারা সারা বছর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের
সাঁকো পার হয়ে আসে। মল্লিকপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের
সহকারী শিক্ষিকা তহমিনা খন্দকার বলেন, স্কুলগামী অনেক শিশু ছাত্র

বড়দের হাত ধরে পার হওয়ার আসায় সাঁকোর কাছে দাঁড়িয়ে থাকে ।
তিনি আরো জানান প্রতি বছর বাশেঁর সাঁকোটি, ছাত্র অভিভাবক
ও আমরা যারা নিয়মিত যাতায়াত করি তাদের অর্থ দিয়ে নির্মান করা
হয় । খালের পাড়ে বসবাসকারী খলিশাখালি গ্রামের মোঃ জিল্লুর
রহমান জানান, প্রতি বছরই সাঁকো থেকে পড়া অনেক বাচ্চাকে
আমরা উদ্ধার করতে হয়। চরমল্লিকপুর গ্রামের মোঃ গোলাম রসুল
মোল্লা,প্রভাষক শরীফুল ইসলাম,অবসর প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা সৈয়দ
নিসর আলী সহ অনেকে ক্ষোভের সাথে বলেন, জনপ্রতিনিধিরা
আমাদের বার বার ব্রীজের প্রতিশ্রুতি দিলেও কেউ কথা রাখেনি ।
মল্লিকপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল জানান, আমার
ইউনিয়নের অনেক বসতি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নবগঙ্গা নদীর উভয়
পাড়ে অবস্থিত। ফলে একটি ব্রিজের অভাবে সাধারণ মানুষের জন্য
স¦াস্ব্য সেবা, শিক্ষা এবং আইন শৃংখলা বজায় রাখা আমার পক্ষে খুব
কষ্টকর হয়ে পড়েছে । যত দ্রত সম্ভব খলিশাখালি মল্লিকপুর এলাকায়
একটি ব্রিজ নির্মাণের জন্য জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি ।#


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451