রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

দু দিনের অবিরাম বর্ষন, বেনাপোল বন্দরে ৬ হাজার টন চাল আটকা

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শনিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৭
  • ২০৫ বার পড়া হয়েছে

বেনাপোল প্রতিনিধি:গত দু দিনের অবিরাম বর্ষনে এশিয়ার দীর্ঘতম বেনাপোল স্থলবন্দর’র অধিকাংশ
মালামাল পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে খোলা আকাশের নীচে রাখা কোটি
কোটি টাকার মালামাল নস্ট হতে শুরু করেছে। মোটা অংকের আর্থিক ক্ষতির
সম্মুখীন হতে হচ্ছে আমদানিকারকদের। আজ শনিবার সকাল থেকে সব ধরনের
মালামাল লোড আনলোড বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে বর্ষায় বন্দরে ৬ হাজার টন চাল
আটকা পড়েছে।
বন্দরে পানি নিস্কাশনের কোন ব্যবস্থাপনা না থাকায় বন্দরে মালামাল নস্ট হচ্ছে
পানিতে । খোলা আকাশের নীচে অযতœ অবহেলায় রাখা এসব মালামাল পানিতে
ডুবে গেছে। অবস্থা এমনই বেগতিক যে, ইতিমধ্যে কোন কোন পণ্যের গুদামে
পানি ঢুকে মালামাল নস্ট হচ্ছে। বর্সায় অযতœ অবহেলায় বন্দরের অ্যভস্তরে
প্রতিনিয়ত কোটি কোটি টাকার মালামাল খোলা আকাশের নীচে নস্ট হলেও
কর্তৃপক্ষের যেন কোন মাথা ব্য্ধসঢ়;থা নেই। বন্দরের অব্যবস্থাপনার কারনে ক্ষতিগ্রস্থ
আমদানিকারকরা এই বন্দও থেকে মুখ্য ঘুড়িয়ে নিচ্ছে। ফলে বেনাপোল বন্দর
দিয়ে ক্রমেই আমদানি বানিজ্য কমতে শুরু করেছে।
দীর্ঘদিন ধরে বন্দরের ড্রেনগুলো নিয়মিত পরিষ্কার না করায় পানি পানি
নিষ্কাশন ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়েছে। এ কারণে সামান্য বৃষ্টি হলেই
কাদাপানিতে বন্দরের ভেতরে হাটু পরিমান পানি জমে যায়।
পণ্য পরিবহনকারী যানবাহনগুলো পানির গর্তে আটকে যাচ্ছে।পণ্যাগারের
প্রবেশমুখেও হাঁটু সমান পানি। সেখানটায় পায়ে হেঁটে যাতায়াতেরও
কোনো সুযোগ নেই।
বন্দরে মাত্র ৪২ টি পণ্যাগার রয়েছে , একটি রফতানি টার্মিনাল ও একটি
ভারতীয় ট্রাক টার্মিনাল। বন্দরে পণ্য ধারণক্ষমতা ৪২ হাজার মেট্রিক টন। অথচ
সারাবছরই বন্দরে পন্র রাখা হচ্ছে ৮০ হাজার মে: টন।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়শনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন
জানান,দেশের সর্ববৃহৎ এই স্থলবন্দর থেকে সরকার বছরে ৫ হাজার কোটি
টাকার রাজস্ব আয় করে থাকে। অথচ এ বন্দরের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। প্রায়
একযুগ ধরে এখানে উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নয়ন হয়নি। পূর্বে ভারত

থেকে প্রতিদিন ৫’শ ট্রাক মালামাল আমদানি হতো এই বন্দর দিয়্ধেসঢ়;,
বর্তমানে আমদানি কমে দাড়িয়েছে ৩’শ তে।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, গত দু দিনের অবিরাম
বর্ষনে বন্দরের ওপেন ইয়ার্ডের মালামাল পানির নীচে রয়েছে। পানি নিস্কাশনের
কোন ব্যবস্থা নেই। তবে পানি বের করার চেস্টা চালানো হচ্ছে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451