শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদে আসছে জি সিরিজের নাটক ‘সাত দিন’ ভালো রাজনৈতিক সংস্কৃতির চর্চা সংসদ থেকে শুরু করতে চাই- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা সরকারের: পরিবেশ মন্ত্রী  গফরগাঁও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে  মোবাইল কোর্ট পরিচালনা  ইরান–ইসরায়েল উত্তেজনার মাঝেই ভারত থেকে পার্বতীপুরে আসছে ৫ হাজার টন ডিজেল ঈদ উপলক্ষে দৌলতদিয়া নৌ পথের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তায় মতবিনিময় সভা  বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার এখন আমাদের জাতীয় অঙ্গীকার, জাতীয় কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে।  প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রবাসীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে সরকার – ইরান-ইসরাইল যুদ্ধে নিহত প্রবাসীর জানাযায় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ভূমিকম্প পরবর্তী উদ্ধার অভিযানে ঢাকা মহানগরে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক তৈরি করা হচ্ছে-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী ঠাকুরগাঁওয়ে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, এসপি বরাবর অভিযোগ

চলনবিলে রসুনের বাম্পার ফলন হলেও দামনিয়ে বিপাকে কৃষক

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১৭
  • ১৭৭ বার পড়া হয়েছে

 

সোহেল রানা সোহাগ, সিরাজগঞ্জ থেকে ঃ

শস্য ভান্ডার খ্যাত সিরাজগঞ্জের চলনবিলাঞ্চলে এবারও রসুনের বাম্পার ফলন হলেও দাম নিয়ে

বিপাকে রয়েছে কৃষকেরা। সাদা সোনা রসুনের আশাতীত ফলনে এবার কৃষকের মুখের

হাসিটা একটু বেশিই। ধানের আবাদের চেয় রসুন চাষে লাভ বেশী হওয়ায় কৃষকেরা

ঝুঁকেছেন রসুন আবাদের প্রতি। চলনবিলের এ সময়ের সাদা সোনা হিসেবে পরিচিত

রসুনের এবার ভালো ফলন হলেও, বাজার মূল্যটা গত বছরের চেয়ে অনেক কম।এলাকার কৃষাণ-

কৃষাণীরা এখন মাঠে ব্যাস্ত সময় পার করছেন রসুন ঘরে তুলতে।

চলতি মৌসুমে চলনবিলের তাড়াশ উপজেলায় রসুনের আবাদ হয়েছে ৪৪০ হেক্টর জমিতে ।

তবে গত বছরের চেয় কম যা গত বছর হয়েছিল ৫৭০ হেক্টর । রসুন উৎপাদন হয়েছে প্রতি

বিঘায় গড়ে ৩০ মণ হারে। যার বর্তমান বাজার মূল্যে প্রতিমন ১ হাজার টাকা থেকে

১৫০০ টাকা পর্যন্ত এবং শুকনো রসুন বিক্রয় হচ্ছে প্রতিমন ২ হাজার থেকে ২৫০০টাকা

পর্যন্ত । তবে এই মুল্যে খুশি না কৃষকেরা । তাদের দাবি বাজার মূল্যে এমন হলে

লোকসানে পরতে হবে তাদের। গত ২ সপ্তাহ থেকেই রসুন তোলার কাজ শুরু হয়েছে।

তাড়াশ উপজেলার রসুন চাষী আমজাদ হোসেন জানান, বিনা চাষে রসুন চাষ করেছি ,

সার বীজ সহ প্রতি বিঘায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ৩ থেকে ৪ হাজার

টাকা মন বিক্রয় করতে পারলে আমরা লাভবান হতে পারব।

এ ব্যাপারে তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিসার মো.সাইফুল ইসলাম জানান,উপজেলায় এ বছর

রসুনের আবাদ হয়েছে ৪৪০ হেক্টর জমিতে । তবে গত বছরের চেয় কম চাষ হয়েছে গত বছর

চাষ হয়েছিল ৫৭০ হেক্টর । বন্যার পনি নামতে একটু দেরী হওয়ায় অনেক কৃষক এবার রসুন

চাষ করতে পারেনি। ফলন ভালো হয়েছে তবে দামটা একটু কম।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451