শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদে আসছে জি সিরিজের নাটক ‘সাত দিন’ ভালো রাজনৈতিক সংস্কৃতির চর্চা সংসদ থেকে শুরু করতে চাই- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা সরকারের: পরিবেশ মন্ত্রী  গফরগাঁও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে  মোবাইল কোর্ট পরিচালনা  ইরান–ইসরায়েল উত্তেজনার মাঝেই ভারত থেকে পার্বতীপুরে আসছে ৫ হাজার টন ডিজেল ঈদ উপলক্ষে দৌলতদিয়া নৌ পথের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তায় মতবিনিময় সভা  বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার এখন আমাদের জাতীয় অঙ্গীকার, জাতীয় কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে।  প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রবাসীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে সরকার – ইরান-ইসরাইল যুদ্ধে নিহত প্রবাসীর জানাযায় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ভূমিকম্প পরবর্তী উদ্ধার অভিযানে ঢাকা মহানগরে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক তৈরি করা হচ্ছে-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী ঠাকুরগাঁওয়ে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, এসপি বরাবর অভিযোগ

ঝিনাইদহে বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী কালোজিরা ধান

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় রবিবার, ১৯ মার্চ, ২০১৭
  • ৪৩০ বার পড়া হয়েছে

 

 মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল,ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:

ঝিনাইদহে এক সময় গ্রাম-বাংলার মানুষের কাছে খুবই জনপ্রিয় ছিল

কালোজিরা ধান। কালোজিরা, কাশিয়া, বিন্নি সহ বিভিন্ন জাতের

সুগন্ধি চিকন চাল দিয়ে তৈরী হত খিচুড়ি সিন্নি-পায়েশ, ফিরনি

ও জর্দা সহ আরও অনেক মুখরোচক খাবার। কিন্তু এসবই এখন কালের

স্মৃতি। ঝিনাইদহের হাট বাজারে এখন আর এ চাল পাওয়া যায় না। বলা

চলে সারাদেশেই প্রায় বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী এই সুগন্ধি চাল। শুধু

কালো জিরা ধান নয়, ক্রমবর্ধমান খাদ্যের চাহিদা মেটাতে সারাদেশ

থেকেই হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিবান্ধব হাজারো জাতের দেশি ধান।

অল্প কিছু বছরের ব্যবধানে এই ধান গুলোর জায়গা দখল করে নিয়েছে উফশী

ও উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে

এসব জাতের ধান আবাদকারী কৃষকদের সংঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ

জাতের ধানের ফলন হয় কম।

বিঘা প্রতি অন্য জাতের ধান যেখানে ১৫ থেকে সবোর্চ্চ ২০ মণ

উংপাদন হয় সেখানে এ জাতের ফলন হয় সর্বচ্চো ৮ মণ পর্যন্ত। তবে

বাজারে দাম দিগুন পাওয়া যায়। সার, সেচ ও পরিচর্যাও লাগে কম। সেই

হিসেবে আবাদে লোকসান হয়না বললেই চলে । এখনও গ্রামের গৃহস্থ

পরিবারের কাছে এ ধানের কদর যথেষ্ট। তথ্যমতে, এ জাতের ধান আগে

বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে আবাদ হত।

কিন্তু এসব ধানের উৎপাদন কম হওয়ায় কৃষকরা বীজ আমদানীর উপর

নির্ভশীল হয়ে পড়েন। এর ফলে হারিয়ে যাচ্ছে এক সময়ের জনপ্রিয় কালো

জিরা, কাশিয়া-বিন্নি,সরু,বেগুন বিচি, জামাই ভোগ,দাদখানি ও

খৈয়া মটর সহ নান জাতের দেশী ধান। কৃষকরা জানান, এজাতের ধান

আবাদে প্রয়োজনীয় সহযোগীতা বা প্রদর্শনী প্লট প্রকল্প গ্রহন

করলে বিলুপ্তির হাত থেকে তা ফেরানো সম্ভব হবে। কালো জিরা ধান

ঝিনাইদহ জেলা উপজেলায় প্রায় জমিতে চাষ হয় । উচ্চ ফলনশীল জাতের

ধানের চেয়ে এ ধানের ফলন কম হয় বিধায় কৃষকরা এ ধানের চাষ কম

করেন। কৃষকরা নিজ আগ্রহেই এ ধান চাষ করেন। এ ধানটি দেশীয়

জাতের ধানের মধ্যে অন্যতম।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451