মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে উত্তরের জেলা পাবনা-একই এলাকায় এক দিনে ৪ জনের মৃত্যু এক গোরস্তানে তিনজনের দাফন। সাভারে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি-ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা আশুলিয়ার জামগড়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১৪ জন আটক, প্রত্যেকের ৬ মাসের কারাদণ্ড ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক দখল করে রেখেছে মৎস্য আড়তের গাড়ি যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা আরিচা-কাজিরহাট নৌ-রুটে স্পিডবোটে অতিরিক্ত যাত্রী পারাপার বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা ঢাকা জেলা ৮ বারের সেরা করদাতা রোমান ভুঁইয়ার পক্ষ থেকে সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা আশুলিয়ায় নারীদের ওপর নির্যাতন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তালায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত সাংবাদিকতা সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সাথে করতে হবে, পার্বতীপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসে – বিএফইউজে সভাপতি পত্নীতলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বুদ্ধিজীবী দিবসে  মোমবাতি প্রজ্জলন

ঝিনাইদহে বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী কালোজিরা ধান

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় রবিবার, ১৯ মার্চ, ২০১৭
  • ৪২৬ বার পড়া হয়েছে

 

 মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল,ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:

ঝিনাইদহে এক সময় গ্রাম-বাংলার মানুষের কাছে খুবই জনপ্রিয় ছিল

কালোজিরা ধান। কালোজিরা, কাশিয়া, বিন্নি সহ বিভিন্ন জাতের

সুগন্ধি চিকন চাল দিয়ে তৈরী হত খিচুড়ি সিন্নি-পায়েশ, ফিরনি

ও জর্দা সহ আরও অনেক মুখরোচক খাবার। কিন্তু এসবই এখন কালের

স্মৃতি। ঝিনাইদহের হাট বাজারে এখন আর এ চাল পাওয়া যায় না। বলা

চলে সারাদেশেই প্রায় বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী এই সুগন্ধি চাল। শুধু

কালো জিরা ধান নয়, ক্রমবর্ধমান খাদ্যের চাহিদা মেটাতে সারাদেশ

থেকেই হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিবান্ধব হাজারো জাতের দেশি ধান।

অল্প কিছু বছরের ব্যবধানে এই ধান গুলোর জায়গা দখল করে নিয়েছে উফশী

ও উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে

এসব জাতের ধান আবাদকারী কৃষকদের সংঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ

জাতের ধানের ফলন হয় কম।

বিঘা প্রতি অন্য জাতের ধান যেখানে ১৫ থেকে সবোর্চ্চ ২০ মণ

উংপাদন হয় সেখানে এ জাতের ফলন হয় সর্বচ্চো ৮ মণ পর্যন্ত। তবে

বাজারে দাম দিগুন পাওয়া যায়। সার, সেচ ও পরিচর্যাও লাগে কম। সেই

হিসেবে আবাদে লোকসান হয়না বললেই চলে । এখনও গ্রামের গৃহস্থ

পরিবারের কাছে এ ধানের কদর যথেষ্ট। তথ্যমতে, এ জাতের ধান আগে

বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে আবাদ হত।

কিন্তু এসব ধানের উৎপাদন কম হওয়ায় কৃষকরা বীজ আমদানীর উপর

নির্ভশীল হয়ে পড়েন। এর ফলে হারিয়ে যাচ্ছে এক সময়ের জনপ্রিয় কালো

জিরা, কাশিয়া-বিন্নি,সরু,বেগুন বিচি, জামাই ভোগ,দাদখানি ও

খৈয়া মটর সহ নান জাতের দেশী ধান। কৃষকরা জানান, এজাতের ধান

আবাদে প্রয়োজনীয় সহযোগীতা বা প্রদর্শনী প্লট প্রকল্প গ্রহন

করলে বিলুপ্তির হাত থেকে তা ফেরানো সম্ভব হবে। কালো জিরা ধান

ঝিনাইদহ জেলা উপজেলায় প্রায় জমিতে চাষ হয় । উচ্চ ফলনশীল জাতের

ধানের চেয়ে এ ধানের ফলন কম হয় বিধায় কৃষকরা এ ধানের চাষ কম

করেন। কৃষকরা নিজ আগ্রহেই এ ধান চাষ করেন। এ ধানটি দেশীয়

জাতের ধানের মধ্যে অন্যতম।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451