অনলাইন ডেস্কঃ
সীতাকুণ্ডে ওই দুটি জঙ্গি আস্তানার নব্য জেএমবিদের লক্ষ্য ছিল বিদেশিদের ওপর হামলা করে মিরসরাই-সীতাকুণ্ড অঞ্চলে বিদেশি বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করা। জানালেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম।বৃহস্পতিবার সীতাকুণ্ডের চৌধুরী পাড়ার জঙ্গি আস্তানায় অভিযান শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। ডিআইজি শফিকুল ইসলাম বলেন, এখানকার দুটিই নব্য জেএমবির আস্তানা ছিল। বুধবার গ্রেপ্তার জঙ্গি দম্পতিকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও তারা মুখ খোলেনি। তাদের আরো জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।তিনি আরো বলেন, নব্য জেএমবির ছিল মিরসরাই-সীতাকুণ্ডে অঞ্চলে বিদেশিদের ওপর হামলা করে বিদেশি বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করা। তারা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বড় ধরনের নাশকতার জন্য প্রচুর গ্রেনেড ও বিস্ফোরক মজুদ করেছিল।বুধবার দুপুর থেকে বাড়িটি ঘিরে রাখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রাত ১১টা পর্যন্ত বাড়ির ভেতর থেকে তিন দফায় পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ও বোমা ছুড়ে মারে জঙ্গিরা। এতে পুলিশের এক কর্মকর্তা আহত হন। জঙ্গি আস্তানা লক্ষ্য করে পুলিশও কয়েক দফা গুলি ছোড়ে।এর আগে বিকেলে ও সন্ধ্যায় দু’দফা ওই বাড়িতে থাকা জঙ্গিদের বের হবার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়।সীতাকুণ্ড পৌরসভা এলাকার একজন বাড়ির মালিকের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই জঙ্গি আস্তানার সন্ধান পায় পুলিশ। বুধবার দুপুরে প্রথমে পৌরসভার আমিরাবাদ এলাকায় একটি বাড়ি থেকে তিনটি গ্রেনেড, একটি সুইসাইড ভেস্ট (আত্মঘাতী হামলার জন্য বোমার তৈরি বেল্ট), পিস্তল, বুলেট, বোমা তৈরির বিপুল সরঞ্জামসহ গ্রেপ্তার করা হয় এক দম্পতিকে।গ্রেপ্তার দুজনের কাছ থেকে তথ্য পেয়েই প্রেমতলা চৌধুরীপাড়া এলাকার ছায়ানীড় বাড়িতে অভিযানে যায় পুলিশ।