বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ঝিনাইদহের স্বরজিৎ কুমার ঘোষের একটি নতুন হুইল চেয়ারের আশা !

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৩ মার্চ, ২০১৭
  • ২২১ বার পড়া হয়েছে

 

স্টাফ রিপোর্টার,ঝিনাইদহঃ

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বেলেঘাট গ্রামের প্রতিবন্ধী স্কুলছাত্র

স্বরজিৎ কুমার ঘোষের হুইল চেয়ারটির বেহালদশা। চেয়ারটি অনেকদিন ব্যবহার

করায় এখন আর ঠিকমত চলছে না।

হাত দিয়ে প্যাডেল করতে তার অনেক কষ্ট হয়। দুই হাত ব্যথা হয়ে যায়। চাকার

অবস্থাও বেশ খারাপ। ঠিকমতো চলেও না। আর গাড়িটা না চললে তার স্কুলে

যাওয়া হবে না। বন্ধ হয়ে যাবে তার লেখাপড়া। স্বরজিৎ উপজেলার বেলেঘাট

গ্রামের গোপাল ঘোষের ছেলে ও রাহাতুল্লাহ সরকার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম

শ্রেণির ছাত্র।

স্বরজিৎ জানায়, বাড়ি থেকে স্কুল যেতে তার দুই কিলোমিটার পথ যেতে হয়।

প্রতিদিন চার কিলোমিটার পথ প্যাডেল করায় মাঝে মাঝে হাতে যন্ত্রণা হয়।

নতুন একটা গাড়ি কিনতে বাবাকে বলেছি। কিন্তু টাকার অভাবে বাবা

কিনে দিতে পারছে না। এই গাড়িটা নষ্ট হয়ে গেলে আমি কীভাবে স্কুলে

যাব ?

সে আরো জানায়, স্কুলের সহপাঠীরা যখন খেলা করে তখন আমার খুব খারাপ

লাগে। কিন্তু আমার যে পা দুটিই খারাপ। আমি তো হাঁটতেও পারি না।

অপরদিকে স্বরজিতের বাবা গোপাল ঘোষ জানান, দুই ছেলের মধ্যে স্বরজিৎ

বড়। জন্মের পর থেকেই ওর দুটি পা বিকল হওয়ায় চলাফেরা করতে পারে না।

লেখাপড়া করার প্রতি তার অনেক ইচ্ছা।

ভালাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩য় শ্রেণিতে পড়ার সময় স্কুলের

শিক্ষকরা তিন হাজার টাকা দিয়েছিল আর আমি কিছু টাকা দিয়ে এই হুইল

চেয়ারটি কিনে দিয়েছিলাম। চেয়ারটির বর্তমান অবস্থা ভালো না।

কৃষিকাজ করে যা আয় হয় তা দিয়ে কোনোরকম সংসার চলে। ছেলেকে

গাড়ি কিনে দেওয়ার টাকা আমার নাই। স্বরজিতের মা অর্চনা ঘোষ জানান,

দুই হাতে প্যাডেল করে স্কুলে যেতে ছেলের খুবই কষ্ট হয়। এছাড়া রাস্তার

অবস্থাও বেশি একটা ভালো না। প্রায়ই তার দু’হাতে ব্যথা হয়। এই ব্যথা

নিয়েই সে প্রতিদিন স্কুলে যায়।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451