মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, মহেশপুর থেকে :
ঝিনাইদহের মহেশপুরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ইটভাটা গুলিতে ভ্রাম্যমান
আদালতে অভিযানে জরিমানা প্রদান করলেও বর্তমানে ইটভাটগুলি চলেছে
বহাল তবিয়তে। আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে উপজেলার বিভিন্ন
আবাসিক এলাকায় গড়ে উঠেছে অবৈধ ইটভাটা । যার কারণে হ্রাস
পাচ্ছে কৃষি জমির উর্বরতা ও পরিবেশ হচ্ছে দুষিত । সরেজমিনে যেয়ে
জানা যায় মহেশপুর উপজেলায় সর্বমোট ২৩টি ইট ভাটা রয়েছে। যা ৭-
৮টি ইটভাট সরকারী নিয়ম কানুন কিছুটা হলেও মানছে। আর বাকী
ইটভাটাগুলি সরকারী কোন নিয়মই মানছে না। অথচ ইট দিয়ে গাথা
চিমনী ভাটা মালিকদের ভ্রাম্যমান আদালত ১ লক্ষ টাকা জরিমানা আদায়
করেন। আর যাদের টিনের চিমনী তাদের কাছ থেকে ৩০-৫০ হাজার টাকা
জরিমানা আদায় করেছে। ইট দিয়ে গাথা চিমনীর ভাটা মালিকরা
জানান আমরা সরকারী নিয়ম কিছুটা হলেও মানছি। আর আমাদের কাছ
থেকে জরিমানা আদায় করা হলো বেশি । আর যারা একেবারেই সরকারী
নিয়ম মানছে না তাদেরকে জরিমানা করা হলো কম। এর কারন কি জানাতে
চায় এলাকার সাধারণ জনগন !জলিলপুর মাঠপাড়ার রিডো ইট ভাটার
মালিক আব্দুর রহমান জানান ভ্রাম্যমান আদালত আমার ভাটায় ৫০ হাজার
টাকায় জরিমানা আদায় করে ভাটা চালানোর অনুমোদন দিয়ে গেছে।
মহেশপুর ব্রিক্স এর মালিক জানান কয়লায় ইট পুড়িয়েও আমাকে ১ লক্ষ
টাকা জরিমানা দিতে হয়েছে। নস্তীতে অবস্থিত জুয়েল ব্রিক্স এর মালিক
মশিয়ার জানান আমার ভাটায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
শাকিল ব্রিক্সের মালিক জানান আমার ভাটায় ৪০ হাজার টাকা জরিমানা
আদায় করা হয়েছে। ভৈরবাস্থ সুমন ব্রিক্সের মালিক বাবু মিয়ার ম্যানেজার
আব্দুস সাত্তার জানান ভ্রাম্যমান আদালত ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেও
ভাটা চালানোর অনুমোদন দিয়ে গেছে। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী
কর্মকর্তা জনাব আশাফুর রহমান জানান অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ইট
ভাটা গুলিতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করেছে শুনেছি এবং
৪টি ইট ভাটা চিমনী ভেঙ্গে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। কাউকে
অনুমতি দেয়া হয়নি। ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান অব্যহত থাকবে।
এলাকাবাসী জানান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান
মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে সবুজে ঘেরা সোনার বাংলায়
রূপান্তর করতে একজন মানুষজেক তিনটি করে গাছ লাগানোর নির্দেশ
দিলেও এই অবৈধ ইটভাটাগুলো এলাকার চারা গাছ নিধন করে দেদারছে
পুড়িয়ে ইট তৈরীকরছে। অবৈধভাবেগড়ে ওঠা ইটভাটা গুলি বন্ধে
প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ চেয়েছেন এলাকার সচেতন
মহল।