মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

পাকিস্তানে বিমান বিধ্বস্ত, ৩৬ মরদেহ উদ্ধার

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬
  • ৩১৪ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ

পাকিস্তানে অ্যাবোটাবাদে বিধ্বস্ত বিমান থেকে ৩৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৪২ মিনিটে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের (পিআইএ) বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

খাইবার পাখতুনখাওয়ার প্রদেশের চিত্রাল থেকে স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় রওনা দেয় পিকে- ৬৬১। ৪টা ৪০ মিনিটে ইসলামাবাদে বেনজির ভুট্টো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ কথা বিমানটির।

পাকিস্তানের আন্তবাহিনী জনসংযোগ বিভাগের (আইএসপিআর) বরাত দিয়ে জিও টিভি জানিয়েছে, বিমানটির ধ্বংসাবশেষ থেকে ৩৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকাজ এখনো চলছে। ৪৭ জন যাত্রী নিয়ে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

চিত্রাল বিমানবন্দরে থাকা যাত্রীতালিকায় দেখা যায়, বিমানে ৩১ জন পুরুষ, ৯ জন নারী ও দুটি শিশু ছিল।

বিমানে স্ত্রীসহ ছিলেন জুনায়েদ জামশেদ

যাত্রীতালিকা দেখে পিআইএ নিশ্চিত করেছে বিমানে ছিলেন সুরকার, গীতিকার ও ধর্মীয় বক্তা জুনায়েদ জামশেদ। সঙ্গে তাঁর স্ত্রীও ছিলেন। দেশটির জনপ্রিয় ওই সঙ্গীতজ্ঞ পরে ধর্মীয় বিষয়ে বক্তৃতা করতেন। তিনি দেশটির জনপ্রিয় টেলিভিশন ব্যক্তিত্বও। বিমানে জামশেদ বসেছিলেন ২৭-সি চেয়ারে। জামশেদের ভাইও জানিয়েছেন, জামশেদ ইসলামাবাদগামী ওই বিমানে ছিলেন।

‘বেঁচে থাকার সম্ভাবনা কম’

দুর্ঘটনাস্থলের এক সরকারি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, বিমানে থাকা যাত্রী ও অন্যান্যদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তাজ মুহাম্মদ খান নামে ওই কর্মকর্তা জানান, মরদেহগুলো দেখে চেনার কোনো উপায় নেই। ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে তাজ জানান, পার্বত্য এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। আর পাহাড়ে পরার আগেই বিমানটিতে আগুন ধরে যায়।

জুম্মা খান নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, ধ্বংসাবশেষ থেকে কেবল মানুষের হাত, পা বের করা হচ্ছে। বোঝা যাচ্ছে না কোনটা নারী, কোনটা পুরুষ।

মরদেহগুলোর ডিএনএ পরীক্ষার জন্য আইয়ুব মেডিকেল কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451