শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২, ০৮:৩৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::

শৈলকুপায় উপজেলা নির্বাহী অফিসের অফিস সহকারী ও ভুমি অফিসের নাজিরের বিরুদ্ধে এবার দুর্নীতি ফাঁস !

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
  • ২২১ বার পড়া হয়েছে

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় উপজেলা নির্বাহী অফিসের অফিস

সহকারী ইউনুস আলী ও ভুমি অফিসের নাজির রফিকুলের

বিরুদ্ধে এবার দুর্নীতিসহ নানাবিধ কুকর্ম ফাঁস।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, শৈলকুপা সাবেক উপজেলা

নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আলী পিন্স একক ব্যক্তি ইউএনও ও

সহকারি কশিনার ভুমি দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময়

দুর্নীতিবাজ ইউএনওর সাথে লিয়াজো করে অফিস সহকারী

ইউনুস ও ভুমি অফিসের নাজির রফিকুল ইসলাম একাধিক

দুর্নীতি করে কোটিপতি বনে গেছেন।

অফিস সহকারী ইউনুসের ঝিনাইদহ আদর্শপাড়ার টাইলসসহ

আলিসান ৩ তলা বাড়ি হাকিয়েছেন। তার সন্তানরা ক্যাডেট

কলেজ ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেন। তিনি বেতন

পান কত ? মাসে খরচ করেন কত এটি তদন্ত করলেই দুর্নীতির

তথ্য বেরিয়ে আসবে।

একটি নির্ভরযোগ্য সুত্র সাংবাদিককে জানায়, ইউনুস

আলীর ও নাজির রফিকুলের নির্যাতনের কারনে এক ব্যক্তি

স্বেচ্ছায় চাকুরী থেকে অবসর নিতে বাধ্য হয়েছেন। নাম না

প্রকাশ করার শর্তে জনৈক ব্যাক্তি আক্ষেপ করে বলেন অতি

শ্রিঘই ইউনুসের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ

বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ে অভিযোগ প্রেরণ করা হবে।

ইউনুস আলীর ও নাজির রফিকুল উপজেলা পরিষদের টিআর

কাবিখার বরাদ্দ থেকে কমিশন, ঠিকাদারী কাজের কমিশন, হাট

বাজারের ইজারা থেকে কমিশন, বাওড় ইজারা থেকে কমিশন ও

অফিসিয়াল বিভিন্ন ভুয়া বিল ভাউচার করে টাকা আত্মসাৎ

করে যাচ্ছেন। ইউনুস আলী ঠিকমত সরকারের রাজস্ব খাতে

আয়কর ও ভ্যাট জমা দেন না।

পরীক্ষার সময় শিক্ষকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পরীক্ষার

ডিডটিতে নাম লেখিয়ে দেন। ইতিপূর্বে বাকাইসিদ্দি

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক আমজাদ

হোসেন দুর্নীতির কারনে সাময়িক বরখাস্ত থাকা অবস্থায় তার

নিকট থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে হল সুপারের দায়িত্ব

দিয়েছেন দুর্নীতিবাজ ইউনুস। তিনি সরকারি প্রাথমিক

বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে টাকা

হাতিয়ে নেন।

এছাড়া ইটভাটা ও বিভিন্ন বেকারী, ডিলার ব্যবসায়ীদের

নিকট থেকে বিভিন্ন সময় নতুন নুতন অজুহাত দেখিয়ে

টাকা হাতিয়ে নেন। যা তদন্ত করলে সত্যাতা রেবিয়ে আসবে।

অপরদিকে ভুমি অফিসের নাজির রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে

ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া

জেলায় জমি ক্রয়সহ বাকি হাকানোর অভিযোগ রয়েছে। তিনি

অবৈধ টাকা উপার্জনের জন্য প্রতিদিন রাত ৯টা পর্যন্ত ১০

পর্যন্ত দুই/তিনজন দালাল নিযুক্ত করে রাতের আঁধারে কাজ

করেন।

এছাড়াও ইউনুস আলী শুক্র ও শনিবারে বন্ধের দিনে এবং সরকারি

ছুটির দিনেও তিনি দুর্নীতি করার জন্য অফিসে এসে তালা

লাগিয়ে কাজ করেন।

ভুমি অফিসে তার যোগদানের পর থেকে বর্তমান পর্যন্ত নাম

পত্তন, নাম খারিজ, দাখলে পর্চ্চার যত কাজ করেছেন প্রত্যেক

প্রকার কাজ থেকে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

একজন ভ্যান চালকের কাছ থেকে ৬শতক জমি নাম পত্তনের জন্য

৪হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এই রফিক। শৈলকুপা শহরের

জায়গা বরাদ্দ ও গোডাউর বরাদ্দ নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে

নিয়ে সরকারের বিপুল পরিমান রাজস্ব ঘাটতি করেছেন বলে

অভিযোগ রয়েছে।

ইউনুস আলীর বাড়ি শৈলকুপা পৌরসভার ভিতরে ও মাথার উপরে

সরকারি নেতারা আশ্রয়স্থল হওয়ার কারনে কেউ প্রতিবাদ করতে

সাহস পান না। এ ব্যাপারে ইউনুস আলীর সাথে কথা বললে

তিনি স্থানীয় শৈলকুপার সাংবাদিকদের তোষামদ করে বলেন,

আপনারা যে কাজ নিয়ে আসবেন তার কোন সদস্যা হবে না।

আপনাদের অনুরোধ আমার বিরুদ্ধে যেন কোন সংবাদ প্রকাশ

না হয়। এভাবে ইউনুস আলী ও নাজির রফিকুল ইসলাম শৈলকুপার

সাংবাদিকদের ও স্থানীয় মানুষদের কনভার্ট করে দুর্নীতিসহ

নানাবিধ কুকর্ম করেই চলেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451