বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আত্রাইয়ে এক গ্রাম্য ডাক্তার মিজানুর রহমান মজনু মানুষের সেবায় 

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শনিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৬
  • ৩১৪ বার পড়া হয়েছে

 

 

মোঃ রুহুল আমীন আত্রাই প্রতিনিধিঃ নওগাঁ আত্রাইয়ে খেটে খাওয়া ও শত শত মানুষের ভরসা, চিকিৎসা সেবায় যার অবদান স্মরণ করার মত তিনি মো.মিজানুর রহমান মজনু। কেন বা কীভাবেই বা তিনি হয়ে উঠলেন এমন ভরসার পাত্র সেটাই আজকের মূলবিষয়।

 

যিনি সবার কাছে ‘মজনু ডাক্তার’ নামে পরিচিত। খেটে খাওয়া মানুষ বা যাদের কাঁড়ি কাঁড়ি টাকায় চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করার সামর্থ্য নেই তাঁদের এবং গণমানুষের ভরসা মজনু ডাক্তার।

 

এ উপজেলায় যখন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ছিলনা তখন থেকে মানুষের ডাকে ছুটে যেতেন। এলাকায় এমবিএস না থাকায়  যেতে হত জেলা সদর অথবা রাজশাহীতে।

 

নওগাঁ জেলার রানীনগর উপজেলার ত্রিমহনী নামক এক গ্রামে মধ্যবিত্ত পরিবারে জম্ম। ভাগ্য বিরামবনায় চলে আসেন আত্রাইয়ে। মজনু বড় ডাক্তার হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ৮ম পাশ করা পর অর্থ অভাবে আর লেখা পড়া হয়ে উঠেনি। মনের প্রবল ইচ্ছা শক্তিতে বিশিষ্ট ডাক্তার তরনী হাত ধরে এ থেকে পথ চলা। চলে গরীব মানুষের চিকিৎসা সেবা।

 

যার উৎসাহে ও অনুপ্রেরণায় আজ আমি মজনু ডাক্তার তিনি হলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক মরহুম আতাউর রহমান মেম্বার। তিনি বলেছিলেন, ব্যবসা নয়, মানুষের জন্য ডাক্তার হতে। যেন সব শ্রেণী-পেশার মানুষই যেন তোমার কাছে  সমান সেবা পায়।

 

তিনি জানান আমার কাছে চিকিৎসা নিতে যারা আসেন, তাদের বড় অংশই ভ্যানচালক, খেটে খাওয়া মানুষ।

 

প্রায় চার দশক ধরে এভাবে মানুষের সেবা করে চলেছেন মজনু ডাক্তার। সর্বস্তরের রোগী যাতে তাঁর সেবা পান তাই তিনি নিজের চেম্বারে নূ্ন্যতম ফি প্রথমে মাত্র ১০ টাকা নির্ধারণ করেন। ২০০৫ সালে বিভিন্ন কারণে ফি আরও ১০ টাকা বাড়িয়ে ২০ টাকা করেছেন। এখন মাত্র ২০ টাকার বিনিময়ে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ তাঁর কাছে চিকিৎসা পরামর্শ নিতে আসেন।

 

তিনি আরও জানান, ‘টাকা নয়, আমি মানুষের দোয়া চাই। রাস্তায় দেখা হলে তারা যে সম্মানটা আমাকে করে, এটাই আমার বড় পাওয়া।’

 


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451