শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নাগেশ্বরীতে সংবাদ টিভির ৫ম তম প্রতিষ্ঠাতা বার্ষিকী উদযাপন ছাত্রলীগের সম্মেলনে আয়োজকদের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে মঞ্চ ছাড়লেন আ. লীগের চার নেতা যশোরে খাবার হোটেলে ঢুকে পড়ল কাভার্ড ভ্যান, পাঁচজনের মৃত্যু সড়ক পরিবহন মালিক ধর্মঘট শুরু, পাবনায় জনদুর্ভোগ চরমে অভিনেত্রী রোশনি ভট্টাচার্যের একই পাত্রকে দ্বিতীয়বার বিয়ে করতে যাচ্ছেন হবিগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ : দুই আসামির ফাঁসির আদেশ পেনাল্টি কিকগুলো আমি হলেও মিস করতাম না : তসলিমা ডিআরইউ নির্বাচনের পরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে একত্রে বগুড়ায় বস্তিবাসীর তথ্যে দুর্ঘটনার কবল থেকে রক্ষা লালমনি এক্সপ্রেস কভিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধে টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়ার সুপারিশ

  ঝিনাইদহে মৎস্য কর্মকর্তার পুকুর চুরি-ঘুষ নিয়েছেন ১৫% !

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৮ জুলাই, ২০১৬
  • ১৭২ বার পড়া হয়েছে

ঝিনাইদহ জেলা সংবাদাতাঃ

জেলা মৎস্য অফিসের অধীন ঝিনাইদহের বিভিন্ন উপজেলায় সরকারী টাকায় পুকুর খনন কাজে চরম দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যেনতেন ভাবে কাজ করে বরাদ্দকৃত টাকা প্রকল্প কমিটির সভাপতি তুলে নিয়েছেন বলে অভিযোগ। তবে প্রকল্প সভাপতিদের দাবী জেলা মৎস্য কর্তকর্মাকে ১৫% টাকা ঘুষ দেওয়ার কারণে তার সঠিক ভাবে কাজ করতে পারিনি।

 

তথ্য নিয়ে জানা গেছে, গত অর্থ বছরে মঙ্গা প্রকল্পের আওতায় ঝিনাইদহে বিল বাওড় ও নদীর মধ্যে পুকুর খনন বাবদ ২৯ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়।

এর মধ্যে ঝিনাইদহ সদরের বিষয়খালী বেগবতী নদীর মধ্যে ২টি পুকুর খনন বাবদ ৬ লাখ টাকা, মহেশপুর সস্তার বাওড়ে পুকুর খনন বাবদ ১০ লাখ টাকা, শৈলকুপার কন্যাদহ বিলে পুকুর খনন বাবদ ৭ লাখ টাকা, শৈলকুপার কালীমরা নদীতে পুকুর খনন কাজে ৩ লাখ টাকা ও ঘোড়শাল ইউনিয়নের পিরোজপুর খালে পুকুর খনন বাবাদ ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়। মঙ্গা কবলিত জেলা না হলেও রাজনৈতিক তদ্বীরে এই প্রকল্প পাস করিয়ে আনা হয় ঢাকা থেকে।

সুত্র মতে এসব প্রকল্প পাস করিয়ে আনতেও টাকা খরচ হয়। নাম প্রকাশে অনি”ছুক একজন প্রকল্প সভাপতি জানান, উপর থেকে নিচ পর্যন্ত টাকা দিতে দিতে শেষ পর্যন্ত আমাদের কোন লাভ থাকে না। তাই পুকুর কাটার নামে যে টুকু করা দরকর তাই করা হয়েছে।

 সরেজমিন কয়েকটি নদী ও বাওড়ের পুকুর খনন পর্যবেক্ষন করে দেখা গেছে, যেনতেন ভাবে কাজ করে জুন মাসে বিল তুলে নেওয়া হয়েছে। সরকারী নিয়ম মেনে কেও পুকুর খনন করেনি।

ঝিনাইদহ সদরের মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু বকর মালিথা জানান, তার ইউনিয়নে দুইটি পুকুর খননের কাজ আমার ভাতিজা করছে।  

তিনি কিছুটা অনিয়মের কথা স্বীকার করে জানান, জেলা মৎস্য অফিসার আকতার উদ্দীনকে ১৫% টাকা দিতে হয়েছে। তিনি আরো জানান, সব পিআইসিদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। ঘাটে ঘাটে টাকা দেওয়ার কারণে পুকুরের মাটি কেটে গভীর করা যায়নি। বাড়েনি আয়তন।

এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ জেলা মৎস্য অফিসার আকতার উদ্দীনের মোবাইলে বেশ কয়েকবার মোবাইল করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।
 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451