মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাগাতিপাড়ায় নির্মাণের ৯ মাসের মধ্যেই ভেঙ্গে পড়লো ব্রীজ

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬
  • ৫০৩ বার পড়া হয়েছে

 

বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধি:

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় নির্মাণের ৯ মাসের মধ্যেই ভেঙ্গে

পড়লো ব্রীজ। তবে ব্রীজটি কোন দফতর থেকে নির্মাণ করা

হয়েছে তার কোন সঠিক তথ্য মেলেনি। সংশ্লিষ্ট দফতরগুলো এর দায়

এড়াতে সংবাদকর্মীদের তথ্য সরবরাহ করছেননা। স্থানীয় ইউনিয়ন

পরিষদ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় এমনকি স্থানীয়

সরকার প্রকৌশলী অধিদফতর কেউ এ ব্রীজের দায় নিতে চাননা।

কোন দফতর থেকে এই ব্রীজটি নির্মান করা হয়েছে নির্দিষ্ট করে

তাও জানাতে পারেনি এ সব বিভাগগুলো।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার দয়ারামপুর ইউনিয়নের হাটগোবিন্দপুর

এলাকার জয়বাংলা মোড় থেকে মধ্যপাড়া সড়কে প্রায় নয় মাস

পূর্বে ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়। গত ৩ ডিসেম্বর শনিবার ওই

সড়কে মাটি ভর্তি এক ট্রাক্টর পারাপারের সময় ব্রীজটি ভেঙ্গে

পড়ে। ৮ দিন অতিবাহিত হলেও কোন দফতর থেকে ব্রীজটি মেরামতের

উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে যান চলাচল বিঘিœত হচ্ছে। স্থানীয়

কয়েকজন যুবক দূর্ঘটনা এড়াতে সেখানে কলাগাছ দিয়ে

নিশান টানিয়েছেন। দ্রুত ব্রীজটি মেরামতের দাবি

জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

ব্রীজটির বিষয়ে দয়ারামপুর ইউপি সচিব অণূপ চক্রবর্তী জানান,

ব্রীজ ভাঙ্গার একদিন পর রোববার তিনি জানতে পেরেছেন। কারা

ব্রীজটি নির্মান করেছে তিনি তা জানেন না। তিনি শুনেছেন

ব্রীজটি উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে

২০১৪-১৫ অর্থ বছরে কর্মসৃজন প্রকল্পের আওতায় নির্মিত

হয়েছে।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা

আব্দুর রাজ্জাকের সাথে বৃহস্পতিবার মুঠোফোনে যোগাযোগের

চেষ্টা করা হলে তিনি এ সম্পর্কে পরে জানাবেন জানিয়ে ফোন

কেটে দেন। পরে একাধিকবার ফোন দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

বিষয়টি নিয়ে ওই দিন বিকেলে এলজিইডি দফতরের উপসহকারী

প্রকৌশলী আলম মিয়া জানান, প্রকৌশলী কামরুজ্জামান

প্রশিক্ষণে আছেন। তবে ওই রাস্তাটি তাদের দফতরের নয়। প্রকল্প

অফিস করতে পারে বলে তিনি জানান।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451