বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৪:০২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

এখনো গ্রেফতার হয়নি প্রবাসী আনোয়ার হত্যা মামলার আসামীরা

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় রবিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৬
  • ২২৭ বার পড়া হয়েছে

 

 

 

 

মো. আখলাকুজ্জামান, গুরুদাসপুর প্রতিনিধিঃ

টাকা আত্মসাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নাটোরের গুরুদাসপুরে বিগত ২০১৫ সালের ১৫ আগষ্ট

মালয়েশিয়া প্রবাসী আনোয়ার হোসেনকে (২৮) ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। ওই রাতেই তার স্ত্রী

আতিয়া খাতুন ঘাতক ভাসুর আনিসুর রহমান (৩২) ও তার স্ত্রী শিউলী খাতুনের বিরুদ্ধে থানায়

হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্তভার সিআইডিকে স্থানান্তর করার এক বছর পার হয়ে গেলেও

আসামীদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

জানা যায়, উপজেলার হামলাইকোল গ্রামের খাদেম আলীর ছেলে মালয়েশিয়া প্রবাসী আনোয়ার

হোসেনের উপার্জনের পাঠানো প্রায় ৫লাখ টাকা তার মা আছিয়া খাতুন ও বড় ভাই আনিসুর

রহমান ব্যাংক থেকে তুলে আত্মসাৎ করে। প্রতিবাদ করলে আনোয়ারের স্ত্রীর ওপরে নির্যাতন চালানো

হয়। নির্যাতিত গৃহবধূ আতিয়া সমস্ত ঘটনা স্বামীকে ফোন করে জানায়। আনোয়ার

মালয়েশিয়া থেকে বাড়ি ফেরার পর ২০১৫ সালের ১৫ আগষ্ট মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে দুই ভায়ের মধ্যে

বাকবিতন্ডা হওয়ার এক পর্যায়ে বড় ভাই আনিসুর প্রবাসী ছোট ভাই আনোয়ারকে ছুরিকাঘাত

করে। মুমূর্ষ অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনোয়ারকে চিকিৎসাধীন নিলে ওই

দিনই সন্ধ্যায় তার মৃত্যু ঘটে।

এলাকাবাসী জানায়, আসামী আনিসুর তার বড় মেয়ে আন্নিকে নিজ বাড়িতে রেখে পালিয়ে

গেলেও তাদের মধ্যে যোগাযোগ রয়েছে। এমনকি গোপনে দেখা স্বাক্ষাৎও চলছে। কিন্তু দায়িত্বে

অবহেলা করে তাদের গ্রেফতার করছে না পুলিশ এবং মামলারও কোন অগ্রগতি নেই।

গুরুদাসপুর থানার তৎকালীন ওসি মোহাম্মদ ইব্রাহীম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আসামীদেরকে

অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু মামলার তদন্তভার

সিআইডিতে স্থানান্তর করার এক বছর পার হয়ে গেলেও আসামীদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।

যোগাযোগ করা হলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রাজশাহী সিআইডি’র অর্গ্যানাইজ ক্রাইম

ব্র্যাঞ্চের ইন্সপেক্টর মো. শাহিন জানান, মামলার তদন্তসহ আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত

রয়েছে। আশা করছি খুব শিগগিরই আসামীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451