শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
পাহাড়ে খ্রিস্টান মিশনারির তৎপরতা: পিছিয়ে পড়ছে নওমুসলিমগণ ঈদযাত্রায় জনভোগান্তি কমাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু                    কৃষকদের ফসল সুরক্ষায় ইনসুরেন্স চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে – খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী        ঈদযাত্রায় স্বস্তি: নির্ধারিত ভাড়ায় চলাচল, অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থা—গাবতলীতে সড়ক মন্ত্রীর পরিদর্শন দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও মানবাধিকার কর্মকর্তা ফরিদ মিয়া মিরপুরে ছাত্রদল নেতা আশরাফুল হোসেন মামুনের সেহেরি আয়োজনে হাজারো মানুষের উপচে পড়া ভিড় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ বোনাস পেলেন ডিএনসিসির ৩ হাজার ৩২ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নে কেউ দুর্নীতি করলে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে  -তথ্যমন্ত্রী  ১৪ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ সুমন হোসেনের ঈদের শুভেচ্ছা দেশের মানুষের প্রত্যাশা সুশাসিত ও সুন্দর বাংলাদেশ  – -খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী                             

সোঁতিজালের বিরুপ প্রভাবে আত্রাই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বসতভিটা

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
  • ৪৬২ বার পড়া হয়েছে

মো. আখলাকুজ্জামান, গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি.

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার আত্রাই নদীতে সোঁতিজাল দিয়ে মাছ ধরা কোনভাবেই বন্ধ করতে

পারছে না প্রশাসন। নদীর পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্থ করে সোঁতিজাল দিয়ে অবাধে মাছ শিকার করা

হচ্ছে। যার ফলে পানির গ্রোত বৃদ্ধি পাওয়ায় মালবাহী নৌযানগুলো ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলাচল করছে।

সেই সঙ্গে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে নদী পাড়ের বসতভিটা।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার আত্রাই নদীর সাবগাড়ী রাবারড্যাম এলাকায় ৫টি সোঁতিজাল

রয়েছে। এগুলো ওই এলাকার ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের মধ্যে রবি, মান্নান, দুলাল, ফারুক, রমিজুল,

সানোয়ার, কাজিম উদ্দিন সহ প্রায় অর্ধশত অসাধু অমৎস্যজীবি ব্যক্তি ওই সোঁতিজাল পেতে মাছ

শিকার করছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই এলাকার কয়েকজন গ্রামমবাসী বলেন, সোঁতিজাল দেয়ার কারণে

আমাদের বসতভিটা ও বাড়ি-ঘর নদীর মধ্যে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। আমরা এখন কোথায় থাকব, কি করব

কিছুই ভাবতে পারছি না। ওই সোঁতিজাল উচ্ছেদে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জহুরুল হক বলেন, টাকা পয়সা বরাদ্দ না থাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা

করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

যোগাযোগ করা হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়াসমিন আক্তার জানান, বেশ কয়বার উচ্ছেদ

অভিযান চালানো হয়েছে। তবুও নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে পড়েছে। তবে এ অভিযান অব্যাহত

থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451