রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

গুলশান হামলার অর্থ মধ্যপ্রাচ্যের, অস্ত্রও বাইরের

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
  • ৪২৭ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার ও কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম দাবি করেছেন, রাজধানীর গুলশান ও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার অর্থ মধ্যপ্রাচ্য থেকে এসেছিল।

আজ সোমবার রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মনিরুল এ তথ্য জানান। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান বলেন, গুলশান ও শোলাকিয়ায় হামলার আগে জঙ্গিরা হুন্ডির মাধ্যমে ১৩ লাখ টাকা গ্রহণ করে। আর এ অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে। অর্থ গ্রহণকারীকে শনাক্ত করা গেছে। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।’

মনিরুল ইসলাম আরো জানান, গুলশান ও শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রের চালানও দেশের বাইরে থেকে এসেছিল। এসব অস্ত্র সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে আনা হয়। তবে অস্ত্রগুলো ঠিক কোন দেশের তা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।

‘অস্ত্র কারা পাঠিয়েছিল এবং বাংলাদেশে কারা সেগুলো গ্রহণ করেছে তাও জানা যায়নি। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে’, যোগ করেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার।

গত পয়লা জুলাই রাত পৌনে ৯টার দিকে গুলশানে স্প্যানিশ রেস্তোরাঁ হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালায় বন্দুকধারীরা। হামলার পর রাতেই তারা ২০ জনকে হত্যা করে।

ওই দিন রাতে উদ্ধার অভিযানের সময় বন্দুকধারীদের বোমার আঘাতে নিহত হন পুলিশের দুই কর্মকর্তা। পরের দিন সকালে যৌথ বাহিনীর অভিযানে নিহত হয় পাঁচ হামলাকারী। ওই হামলায় মোট ২৯ জন নিহত হয়।

গুলশানের ঘটনার এক সপ্তাহের মাথায় দেশের সর্ববৃহৎ ঈদ জামাত কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় ঈদগাহ মাঠের অদূরে পুলিশের ওপর হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। এতে দুই পুলিশ সদস্য নিহত হন। এ ছাড়া সন্ত্রাসীদের সঙ্গে পুলিশের গোলাগুলির সময় ওই এলাকায় ঝর্ণা রানী ভৌমিক নামের এক গৃহবধূ নিহত হন। এ দিন ঘটনাস্থলে সন্দেহভাজন এক জঙ্গিও নিহত হয়।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451