শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৩০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মিল্টন-জাহাঙ্গীর পরিষদ সবার সেরা’ স্লোগানে মিরপুরে ছাত্রদলের বিশাল মিছিল  আশুলিয়ায় পোশাক শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন, গাড়িতে ভাংচুর করে আগুন দিয়েছে শ্রমিকরা আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামি ও সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় এনামুল গ্রেফতার আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশ কর্তৃক ৫২ কেজি গাঁজাসহ একজন পেশাদার মাদক কারবারী গ্রেফতার একটি গাড়ী ‍উদ্ধার বাংলাবাজার পত্রিকার সাংবাদিক জাহাঙ্গীর প্রধানকে প্রাণনাশের হুমকি-আশুলিয়া থানায় জিডি পশ্চিম ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে তৎপরতা, আলোচনায় একাধিক নেতা আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তিকে বাংলাদেশে আর কোনদিন রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিরপুরের ঐতিহ্যবাহী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে সুশাসন ও শিক্ষার মান উন্নয়নের সুবাতাস বইছে প্রতিবেশী দেশ থেকে মাদক ঢুকিয়ে যুবসমাজ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে : প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

বালিশ হেরে গেছে পর্দার কাছে : মির্জা ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৪১৪ বার পড়া হয়েছে

ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ (ফেমিক) হাসপাতালের পর্দা কেনার দুর্নীতির কাছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বালিশ কেনার দুর্নীতি হেরে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বালিশ কোথায়? বালিশতো হেরে গেছে পর্দার কাছে! এ হচ্ছে অবস্থা! সব লুট করছে চারদিকে। এমনভাবে লুট করছে যে, এই দেশকে একটি ফোকলা অর্থনীতিতে পরিণত করছে।

আজ শুক্রবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাবেক অর্থমন্ত্রী ও বিএনপির সাবেক স্থায়ী কমিটির সদস্য সাইফুর রহমানের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি একথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান সাহেবরা থাকলে রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, রূপপুরে এভাবে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হতো না। ব্যাঙের ছাতার মতো ব্যাংক হতো না। সাইফুর রহমান সাহেব দেশপ্রেমিক ছিলেন, দেশকে ভালোবাসতেন। নিজের বা দলের লাভবান হওয়ার জন্য দেশের সার্থকে জলাঞ্জলি দেননি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, সাইফুর রহমান সাহেব ব্যাংক দেননি। তখন কয়েকটি প্রাইভেট ব্যাংক ছিল। খুব চাপ ছিল, চতুর্দিক থেকে চাপ ছিল যে নতুন ব্যাংক দিতে হবে। এ নিয়ে আমাদের অনেকে বিক্ষুব্ধ ছিলেন। কিন্তু তিনি বলেছিলেন, আমিতো দেশটাকে একটা লুটেরা অর্থনীতিতে পরিণত করতে পারি না। আজকে প্রমাণিত হয়েছে, এই যে ব্যাঙের ছাতার মতো ব্যাংক দিয়েছে, সব মুখ থুবড়ে পড়ছে।

তিনি অর্থমন্ত্রীর সমালোচনা করে বলেন, হলমার্ককে আবার সুযোগ দেওয়া হবে। অর্থাৎ লুটেরা অর্থনীতিকে আবার লুটেরাদের হাতে দেওয়া হবে। এটাই এদের মূল চরিত্র। এদের চরিত্রই হচ্ছে লুটেরা। চারদিকে সব লুট করছে। এমনভাবে লুট করছে, দেশটা একটা ফোকলা দেশে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি না কি অর্থনীতির আইডল। এটা আদর্শ, মডেল! কিন্তু অতিদ্রুত বিশ্বের কাছে প্রমাণিত হয়ে গেছে, এটা একটা ফাঁপা অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। অথচ সাইফুর রহমান, জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়ার সময় এ অর্থনীতি ছিল দৃঢ় অর্থনীতি।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক প্রমুখ।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451