সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
জয়পুরহাটে সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনার শীর্ষে নাজমা খানম রুপালি পাহাড়ে খ্রিস্টান মিশনারির তৎপরতা: পিছিয়ে পড়ছে নওমুসলিমগণ ঈদযাত্রায় জনভোগান্তি কমাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু                    কৃষকদের ফসল সুরক্ষায় ইনসুরেন্স চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে – খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী        ঈদযাত্রায় স্বস্তি: নির্ধারিত ভাড়ায় চলাচল, অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থা—গাবতলীতে সড়ক মন্ত্রীর পরিদর্শন দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও মানবাধিকার কর্মকর্তা ফরিদ মিয়া মিরপুরে ছাত্রদল নেতা আশরাফুল হোসেন মামুনের সেহেরি আয়োজনে হাজারো মানুষের উপচে পড়া ভিড় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ বোনাস পেলেন ডিএনসিসির ৩ হাজার ৩২ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নে কেউ দুর্নীতি করলে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে  -তথ্যমন্ত্রী  ১৪ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ সুমন হোসেনের ঈদের শুভেচ্ছা

ফুলবাড়ীতে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু ফলন ও দাম ভালো থাকায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় রবিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৮
  • ৪২৫ বার পড়া হয়েছে

 

মেহেদী হাসান উজ্জল,ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে শুরু হয়েছে আগাম জাতের আমন ধান কাটা-মাড়াই, ব্যাস্থ সময় পার করছে কৃষকরা। আগাম জাতের ধান বাজারে চাহিদাও বেশি। ধানের ফলন ও দাম ভালো পাওয়ার কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।
এদিকে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, আগাম জাতের ধান চাষ-আবাদ করে কৃষক একই সাথে দুটো লাভ করছে। আগাম জাতের ধান কেটে ওই জমিতে রবী শষ্য আলু, ভুট্টা ও শরিষা বা আউষ ধান চাষ করতে পারবে। এতে করে একই জমিতে বছরে চারটি ফসল উৎপাদন করতে পারছে।
উপজেলা রাজারাম পুর গ্রামের কৃষক ফারুক হোসেন বলেন, আগাম জাতের এই ধান একর প্রতি ৬২ মন ফলন হচ্ছে। তিনি এই জমির ধান কেটে আলু ও ভুট্টা চাষ করবে। একই কথা বলেন, পুর্ব রাজারামপুর গ্রামের কৃষক আবু বক্কর ও সুজাপুর গ্রামের কৃষক রমিজ উদ্দিন।
কৃষক ফারুক হোসেন বলেন,আগাম জাতের এই ধান বাজারে চাহিদা রয়েছে তাই দামও ভাল পাওয়া যাচ্ছে। এই ধানের অর্থ দিয়ে আলুও চাষ করা হচ্ছে, আলু ক্ষেতের মধ্যে দিয়ে ভুট্টাও চাষ হয়ে যাবে প্রায় একই খরছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এটিএম হামিম আশরাফ বলেন, এই উপজেলায় এই বছর ১৭ হাজার ৩২০ হেক্টর জমিতে আমন চাষ হয়েছে, এর মধ্যে ১৭০০ হেক্টর জমিতে আগাম জাতের ধান চাষ হয়েছে, এর মধ্যে স্থানীয় জাতের উচ্চ ফলনশীল (উফসী) জাতের ২০০ হেক্টর ও হাই ব্রীট জাতের ১৫০০ হেক্টর। আগাম জাতের এই ধান একর প্রতি ৬৩ থেকে ৬৮ মন ধান ফলন হচ্ছে। কৃষি কর্মকর্তা আরো বলেন, বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে ও কৃষি জমি কমে যাচ্ছে, ফলে জনসংখ্যার সাথে সাথে খাদ্যা চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সে কারনে একই জমিতে বছরে চারটি করে ফসল উৎপাদন করতে হবে, এই লক্ষ নিয়ে কৃষকদের বছরে চারটি ফসল উৎপাদ করতে পরামর্শ ও উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451