মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

পীরগঞ্জ হাসপাতালে ৩ মাস ধরে ওষুধ সংকট, বিপাকে রোগীরা

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় সোমবার, ১ অক্টোবর, ২০১৮
  • ৩৫৫ বার পড়া হয়েছে

জাকির হোসেন, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রায় ২ মাস ধরে জ্বরের প্যারাসিটামল ট্যাবলেট ওষুধ পাচ্ছে না রোগীরা। ওষুধ না পেয়ে প্রতিদিন হাসপাতাল থেকে ফিরে যাচ্ছে বর্হিবিভাগের অসংখ্য রোগী আর ভর্তিকৃতদের কিনতে হচ্ছে বাইরে থেকে।
এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বর্তমানে আবহাওয়া জনিত কারণে গ্রামগঞ্জে সর্দি-জ্বরের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন অসংখ্য নারী পুরুষ জ্বর-সর্দির ওষুধ নিতে পীরগঞ্জ হাসপাতালে আসছে। কিন্তু জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল টেবলেট সরবরাহ না থাকায় ওষুধ না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে তাদের। রবিবার দুপুরের দিকে হাসপাতালে আগত নারায়নপুর গ্রামের হোসেন আলী, মসলিম উদ্দীন, ময়না বেগম সহ অনেকেই জানায়, তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য হাসপাতালে এসেছিল জ্বরের ঔষধ নিতে। কিন্তু ঔষধ নাই। তাই তাদের লেখে দেওয়া হয়েছে বাইরের ফার্মেসী থেকে কিনতে। হাসপাতালে ঔষধ নিতে আসা অনেক রোগীর একই কথা জ্বরের ওষুধ নাই।
উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্টোর কিপার বকুল জানান, এ উপজেলার জন্য প্রতি বছর প্রায় ৩ লাখ প্যারাসিটামল টেবলেট দরকার। কিন্তু সে পরিমান সরবরাহ পাওয়া যায় না। ১ লাখ থেকে ১ লাখ ২০ হাজারের মত পাওয়া যায়। যা দিয়ে বছর চালানোই কঠিন। তার পরও চলতি অর্থ বছরে অর্থাৎ জুলাই মাস থেকে এখন পর্যন্ত কোন প্যারাসিটামল টেবলেট সরবরাহ পাওয়া যায়নি। যা ছিল তা প্রায় ২ মাস আগেই শেষ হয়ে গেছে। এতে করে আমরাও হাসপাতালের বর্হি ও অন্তবিভাগে প্যারাসিটামল টেবলেট সরবরাহ করতে পারছি না। জেলা সিভিল সার্জন অফিসকে বিষয়টি অবহিত করে ওষুধ চাওয়া হয়েছে।
ফার্মসিষ্ট আনোয়ার জানান, প্রতিদিন জ্বর-সর্দি, মাথা ব্যাথার অনেক রোগী আসছে। কিন্তু প্যারাসিটামল টেবলেট সরবরাহ না থাকায় তারা দিতে পারছেন না। তবে বাচ্চাদের প্যারাসিটামল সিরাপ সরবরাহ আছে।
আবাসিক মেডিকেল অফিসার(ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ শেখ মোঃ জুবায়ের জানান, সরকারী ভাবে সরবরাহ নাই। তাই ভর্তিকৃত রোগীদেরও তারা হাসপাতাল থেকে প্যারাসিটামল টেবলেট দিতে পারছেন না। যাদের দরকার হচ্ছে। লিখে দেওয়া হচ্ছে। বাইরে থেকে তারা কিনে আনছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আরশাদ হোসেনে বলেন, প্যারা সিটামল টেবলেট নাই। এটা তার জানা নেই। তিনি তাৎক্ষনিক স্টোর কিপার ও ফার্মসিষ্টকে ডেকে এ বিষয়ে খোঁজ খবর নেন। সত্যতা পেয়ে এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451