বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামি ও সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় এনামুল গ্রেফতার আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশ কর্তৃক ৫২ কেজি গাঁজাসহ একজন পেশাদার মাদক কারবারী গ্রেফতার একটি গাড়ী ‍উদ্ধার বাংলাবাজার পত্রিকার সাংবাদিক জাহাঙ্গীর প্রধানকে প্রাণনাশের হুমকি-আশুলিয়া থানায় জিডি পশ্চিম ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে তৎপরতা, আলোচনায় একাধিক নেতা আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তিকে বাংলাদেশে আর কোনদিন রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিরপুরের ঐতিহ্যবাহী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে সুশাসন ও শিক্ষার মান উন্নয়নের সুবাতাস বইছে প্রতিবেশী দেশ থেকে মাদক ঢুকিয়ে যুবসমাজ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে : প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সাভারে এসআই আলতাফ হোসেন হত্যা: জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নরওয়ের সাথে স্থানীয় সরকারে কারিগরি সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা এলজিআরডি মন্ত্রীর

আত্রাইয়ে এক গ্রাম্য ডাক্তার মিজানুর রহমান মজনু মানুষের সেবায় 

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শনিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৬
  • ৩২৮ বার পড়া হয়েছে

 

 

মোঃ রুহুল আমীন আত্রাই প্রতিনিধিঃ নওগাঁ আত্রাইয়ে খেটে খাওয়া ও শত শত মানুষের ভরসা, চিকিৎসা সেবায় যার অবদান স্মরণ করার মত তিনি মো.মিজানুর রহমান মজনু। কেন বা কীভাবেই বা তিনি হয়ে উঠলেন এমন ভরসার পাত্র সেটাই আজকের মূলবিষয়।

 

যিনি সবার কাছে ‘মজনু ডাক্তার’ নামে পরিচিত। খেটে খাওয়া মানুষ বা যাদের কাঁড়ি কাঁড়ি টাকায় চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করার সামর্থ্য নেই তাঁদের এবং গণমানুষের ভরসা মজনু ডাক্তার।

 

এ উপজেলায় যখন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ছিলনা তখন থেকে মানুষের ডাকে ছুটে যেতেন। এলাকায় এমবিএস না থাকায়  যেতে হত জেলা সদর অথবা রাজশাহীতে।

 

নওগাঁ জেলার রানীনগর উপজেলার ত্রিমহনী নামক এক গ্রামে মধ্যবিত্ত পরিবারে জম্ম। ভাগ্য বিরামবনায় চলে আসেন আত্রাইয়ে। মজনু বড় ডাক্তার হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ৮ম পাশ করা পর অর্থ অভাবে আর লেখা পড়া হয়ে উঠেনি। মনের প্রবল ইচ্ছা শক্তিতে বিশিষ্ট ডাক্তার তরনী হাত ধরে এ থেকে পথ চলা। চলে গরীব মানুষের চিকিৎসা সেবা।

 

যার উৎসাহে ও অনুপ্রেরণায় আজ আমি মজনু ডাক্তার তিনি হলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক মরহুম আতাউর রহমান মেম্বার। তিনি বলেছিলেন, ব্যবসা নয়, মানুষের জন্য ডাক্তার হতে। যেন সব শ্রেণী-পেশার মানুষই যেন তোমার কাছে  সমান সেবা পায়।

 

তিনি জানান আমার কাছে চিকিৎসা নিতে যারা আসেন, তাদের বড় অংশই ভ্যানচালক, খেটে খাওয়া মানুষ।

 

প্রায় চার দশক ধরে এভাবে মানুষের সেবা করে চলেছেন মজনু ডাক্তার। সর্বস্তরের রোগী যাতে তাঁর সেবা পান তাই তিনি নিজের চেম্বারে নূ্ন্যতম ফি প্রথমে মাত্র ১০ টাকা নির্ধারণ করেন। ২০০৫ সালে বিভিন্ন কারণে ফি আরও ১০ টাকা বাড়িয়ে ২০ টাকা করেছেন। এখন মাত্র ২০ টাকার বিনিময়ে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ তাঁর কাছে চিকিৎসা পরামর্শ নিতে আসেন।

 

তিনি আরও জানান, ‘টাকা নয়, আমি মানুষের দোয়া চাই। রাস্তায় দেখা হলে তারা যে সম্মানটা আমাকে করে, এটাই আমার বড় পাওয়া।’

 


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451