শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আশুলিয়ার বিএনপি নেতা হেলাল উদ্দিন দেশের জনপ্রিয় চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক শফিক সাগর: সংগ্রাম থেকে সাফল্যের গল্প পরিবেশ মন্ত্রীর সঙ্গে সাউথ এশিয়া কো-অপারেটিভ এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রামের মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ আশুলিয়ায় গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক ব্যবসায় ফুলেফেঁপে উঠছে কারবারিরা লাখ লাখ টাকার মালিক আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং ও মাদক সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্মি ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে দুই ডাকাত ও কিশোর গ্যাংয়ের তিন সদস্যসহ ৫জন গ্রেফতার ঢাকা জেলার আশুলিয়ায় “জামগড়া পুলিশ ক্যাম্পের” শুভ উদ্বোধন আশুলিয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত! রাজবাড়ী থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী বাস দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় নিখোঁজ অর্ধশশতাধিক মানুষ! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ: বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত ও পুলিশ সংস্কারে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতার আশ্বাস

আত্রাইয়ে এক গ্রাম্য ডাক্তার মিজানুর রহমান মজনু মানুষের সেবায় 

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শনিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৬
  • ৩০৭ বার পড়া হয়েছে

 

 

মোঃ রুহুল আমীন আত্রাই প্রতিনিধিঃ নওগাঁ আত্রাইয়ে খেটে খাওয়া ও শত শত মানুষের ভরসা, চিকিৎসা সেবায় যার অবদান স্মরণ করার মত তিনি মো.মিজানুর রহমান মজনু। কেন বা কীভাবেই বা তিনি হয়ে উঠলেন এমন ভরসার পাত্র সেটাই আজকের মূলবিষয়।

 

যিনি সবার কাছে ‘মজনু ডাক্তার’ নামে পরিচিত। খেটে খাওয়া মানুষ বা যাদের কাঁড়ি কাঁড়ি টাকায় চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করার সামর্থ্য নেই তাঁদের এবং গণমানুষের ভরসা মজনু ডাক্তার।

 

এ উপজেলায় যখন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ছিলনা তখন থেকে মানুষের ডাকে ছুটে যেতেন। এলাকায় এমবিএস না থাকায়  যেতে হত জেলা সদর অথবা রাজশাহীতে।

 

নওগাঁ জেলার রানীনগর উপজেলার ত্রিমহনী নামক এক গ্রামে মধ্যবিত্ত পরিবারে জম্ম। ভাগ্য বিরামবনায় চলে আসেন আত্রাইয়ে। মজনু বড় ডাক্তার হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ৮ম পাশ করা পর অর্থ অভাবে আর লেখা পড়া হয়ে উঠেনি। মনের প্রবল ইচ্ছা শক্তিতে বিশিষ্ট ডাক্তার তরনী হাত ধরে এ থেকে পথ চলা। চলে গরীব মানুষের চিকিৎসা সেবা।

 

যার উৎসাহে ও অনুপ্রেরণায় আজ আমি মজনু ডাক্তার তিনি হলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক মরহুম আতাউর রহমান মেম্বার। তিনি বলেছিলেন, ব্যবসা নয়, মানুষের জন্য ডাক্তার হতে। যেন সব শ্রেণী-পেশার মানুষই যেন তোমার কাছে  সমান সেবা পায়।

 

তিনি জানান আমার কাছে চিকিৎসা নিতে যারা আসেন, তাদের বড় অংশই ভ্যানচালক, খেটে খাওয়া মানুষ।

 

প্রায় চার দশক ধরে এভাবে মানুষের সেবা করে চলেছেন মজনু ডাক্তার। সর্বস্তরের রোগী যাতে তাঁর সেবা পান তাই তিনি নিজের চেম্বারে নূ্ন্যতম ফি প্রথমে মাত্র ১০ টাকা নির্ধারণ করেন। ২০০৫ সালে বিভিন্ন কারণে ফি আরও ১০ টাকা বাড়িয়ে ২০ টাকা করেছেন। এখন মাত্র ২০ টাকার বিনিময়ে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ তাঁর কাছে চিকিৎসা পরামর্শ নিতে আসেন।

 

তিনি আরও জানান, ‘টাকা নয়, আমি মানুষের দোয়া চাই। রাস্তায় দেখা হলে তারা যে সম্মানটা আমাকে করে, এটাই আমার বড় পাওয়া।’

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451