বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

গুহায় আটকে পড়া কিশোররা সুস্থ আছে, পৌঁছলো খাবার-ওষুধ

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বুধবার, ৪ জুলাই, ২০১৮
  • ৫১৭ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ

থাইল্যান্ডের উত্তরে একটি গুহায় আটকে পড়া ১২ কিশোর ফুটবলার ও তাদের কোচের কাছে প্রথমবারের মতো খাদ্য ও ওষুধ পৌঁছাতে পেরেছেন উদ্ধারকারীরা। এ খাদ্য ও ওষুধ পৌঁছানো ডুবুরিদের সাতজনের দলটির মধ্যে একজন ডাক্তার ও একজন নার্সও ছিলেন।

দলটির সঙ্গে ডুবুরিদের দেখা করার পর একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, আটকে পড়া কিশোররা বলছে, তাদের স্বাস্থ্য ভালো আছে। ভিডিওটিতে এরপর তারা প্রত্যেকে একে একে কথা বলেন।

এখন তাদের নিরাপদে বের করে আনার উপায় খোঁজা হচ্ছে। থাইল্যান্ডের কর্মকর্তারা বলেছেন, গুহায় আটকে থাকা ১২ কিশোর ফুটবলার ও তাদের কোচকে বের করে আনার ক্ষেত্রে কোনো ধরণের ঝুঁকি নিতে চান না তারা। ওই গুহার মধ্যে প্রায় ৯ দিন ধরে আটকে থাকার পর মঙ্গলবার তাদের সন্ধান পায় উদ্ধার কর্মীরা। একটি ফুটবল সেশন শেষে কোচের সঙ্গে গুহার মধ্যে গিয়েছিলো ওই ১২ কিশোর। কিন্তু এরপরই প্রবল বৃষ্টি শুরু হলে তাদের বের হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়।

যে গুহায় তারা আটকে পড়েছে সেটি থাইল্যান্ডের দীর্ঘতম গুহাগুলোর একটি। পরে তাদের ভিডিও প্রকাশ করে থাই নৌবাহিনী। এতে দেখা যায়, তারা সবাই স্বাভাবিক আছেন ও কথা বলছেন। এরপর তাদের কাছে চিকিৎসকদের পরামর্শ মতো সহজে হজমযোগ্য এবং উচ্চশক্তির খাবার ও ভিটামিন পৌঁছানো হয়।

চিয়াং রাই প্রদেশের গভর্নর নারংসাক ওসোত্থানাকন বলেছেন, তারা কোনো তাড়াহুড়া করতে চান না। এদিকে আরো বৃষ্টির কারণে সাগরের পানির উচ্চতা বাড়ায় গুহায় বাতাস ঢোকার পথগুলো হুমকির মুখে আছে।

এদিকে গুহায় আটকে পড়া দলটির বেশিরভাগই সাঁতার জানে না, যা পুরো উদ্ধার প্রক্রিয়াকে আরও জটিলতায় ফেলেছে। এর আগে থাই সামরিক বাহিনী বলেছে, এদের প্রথমে সাঁতার শেখাতে হবে বা অপেক্ষা করতে হবে অন্তত চার মাস। নতুন করে বন্যার পানির কারণে যেন ঝুঁকি তৈরি না হয়, সেজন্য পানি পাম্প করে বের করারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আর প্রদেশের গভর্নর বলছেন, গুহার মধ্যেই যেখানে দলটি আটকে আছে সেখানে একটি অবকাঠামো তৈরির অনুরোধ জানিয়েছেন তারা। গুহার ভেতরের পরিস্থিতি বিবেচনায় নিলে আটকে পড়া কিশোরদের বের করে আনা একটি বিপজ্জনক কাজ। থাম লুয়াং নামের ওই গুহাটি বর্ষায় প্রতি বছরই বন্যার পানিতে ভরে যায়, যা সেপ্টেম্বর কিংবা অক্টোবর পর্যন্ত থাকে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়েছেন গুহার মধ্যে বিপজ্জনক করিডোর ও শূন্য মাত্রার দৃশ্যমান পানির কারণে অদক্ষ ডুবুরীদের নেওয়া ঝুঁকির বিষয় হবে।

উদ্ধার তৎপরতায় যুক্ত থাকা ডুবুরি বেন রেমিনেন্টস বলেছেন, থাই নৌবাহিনীর দু’জন চিকিৎসক স্বঃপ্রণোদিত হয়ে আটকে থাকা ছেলেদের সঙ্গে পানি কমে না আসা পর্যন্ত অবস্থান করতে চেয়েছেন। আর অন্য আরেকটি টিম পাহাড়ের অন্য দিক থেকে গুহার ভিন্ন পথ খোঁজার কাজ করছেন। সূত্র: বিবিসি


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451