শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

১৭ গ্রামের ঈদ আনন্দ ভাসল বন্যায়

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৪ জুন, ২০১৮
  • ৩১৯ বার পড়া হয়েছে

বাংলার প্রতিদিন ঃ

ফেনীর মুহুরি ও কহুয়া নদীর পানি কমতে শুরু করলেও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় বাড়ছে নতুন করে প্লাবিত গ্রামের সংখ্যা। ফসলি জমি ও মাছের ঘের তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এলাকাবাসী। ত্রাণ সহায়তা ও দ্রুত বাঁধ সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন তারা। অবশ্য, ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ সহায়সহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ফেনীর মুহুরি-কহুয়া-সিলোনিয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ১৪টি স্থান ভেঙে গেছে। এতে ফুলগাজী উপজেলার ৯টি এবং পরশুরাম উপজেলার ১৭টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে বসতঘর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাছের ঘের ও ফসলি জমি। প্রবল স্রোতে রাস্তা ভেঙে যাওয়ায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা জানান, চাষ করা মাছ সব নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়া যত পোল্ট্রি ফার্ম ছিল সব স্রোত নিয়ে গেছে।’

‘ঈদের আনন্দই শেষ। কিভাবে থাকবো, খাব কিছুই জানি না।’

পানি কমলে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামত করা হবে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কোহিনুর আলম বলেন, ‘বিপদ সীমার ওপর দিয়ে যাচ্ছে। রিপোর্ট করবো। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমাদের পক্ষ থেকে আমরা ব্যবস্থা  নেব।’

তালিকা করে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

জেলা প্রশাসক মনোজ কুমার রায় বলেন, ‘আমাদের পর্যাপ্ত মজুদ আছে। চাল, টাকা মজুদ আছে। আমরা বরাদ্দ দিতে পারবো।’

মুহুরি-কহুয়া-সিলোনিয়া বাঁধ ভেঙে বন্যার কবলে পড়েছেন প্রায় এক লাখ মানুষ।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451