শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ঈদকে সামনে রেখে সচল হয়ে উঠেছে বগুড়ার সেমাই কারখানাগুলি

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় রবিবার, ২৭ মে, ২০১৮
  • ২৩১ বার পড়া হয়েছে

 

মোঃ ফাহিম আহম্মেদ রিয়াদ (বগুড়া প্রতিনিধি)ঃ ঈদ ও রোজাকে কেন্দ্র করে
বগুড়ার চিকন সেমাইয়ের ব্যাপক চাহিদা থাকায় পুনরায় সচল হয়ে উঠেছে
বগুড়ার অসংখ্য সেমাইপল্লীর চাকাগুলি। ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়ায় দম ফেলার সময়
পাচ্ছেন না সেসব কারখানার কারিগররা। শবেবরাতের পর থেকেই শুরু হয়েছে
সেমাইয়ের উৎপাদন। প্রতিদিন সেহরির পর থেকেই কারখানাগুলোয় শুরু হয়
সেমাই তৈরির কাজ চলে সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত। সেমাই কল মালিকরা
জানিয়েছেন, শ্রমিকদের মজুরি ও বিদ্যুতের দাম বাড়লেও
প্রতিযোগিতামূলক বাজারের কারণে সেমাইয়ের দাম তেমন বাড়েনি।
প্রকারভেদে প্রতি কেজি সেমাই ৩৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সেমাই কল
মালিক ও কারিগরদের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, এক বস্তা (৩৭ কেজি) ময়দা
থেকে গড়ে ৩৫ কেজি চিকন সেমাই পাওয়া যায়। এক বস্তা ময়দা থেকে
সেমাই তৈরি এবং তা রোদে শুকানোর বিনিময়ে প্রত্যেক কারিগরকে এবার
১৮০ থেকে ২০০ টাকা মজুরি দেওয়া হচ্ছে। এক বছর আগে এই মজুরি ছিল
১৫০-১৬০ টাকা। বগুড়ার চিকন সেমাইয়ের কদর দেশজুড়ে। শুধু বগুড়াতেই যত
সেমাই তৈরী হয় তা আর অন্য কোন অঞ্চলেই তৈরী হয় না। শতাধীক কারখানায়
৪০০ নারী শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছেন। প্রতিটি কারখানায় প্রতিদিন
গড়ে ২৫০ কেজি অর্থাৎ ১০ খাঁচি করে সেমাই তৈরি হচ্ছে। বগুড়া কাহালু
শেকাহার এলাকার এক সেমাইকল মালিক জানান, সেমাই তৈরির জন্য
প্রতিদিন ভোর থেকে কারিগররা এসে কাজ শুরু করেন। আর বৃষ্টির কারণে
উৎপাদিত সেমাই রোদে শুকানোও কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এতে প্রতিদিন গড়ে
১২৫ কেজি অর্থাৎ ৫ খাঁচি করে উৎপাদন কমেছে। শহরের রাজাবাজার
এলাকায় সেমাইয়ের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রমজানের শুরু থেকেই শুরু
হয়েছে বেচাকেনা। দেশের নানা প্রান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা আসছেন। আড়ৎ
মালিকরা জানিয়েছেন, কারখানায় উৎপাদন কম হওয়ার কারণে বাজারে
সেমাইয়ের সরবরাহও কম। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা
আসছেন। ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে, বিক্রি ততো বাড়বে বলে তারা আশাবাদী।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451