শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

মিরপুরে অগ্নিকাণ্ড: প্রাণে বাঁচলেও পুড়েছে বস্তিবাসীর সহায়-সম্বল

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় সোমবার, ১২ মার্চ, ২০১৮
  • ১৭১ বার পড়া হয়েছে

বাংলার প্রতিদিন ডটকম ঃ-

রাজধানীর মিরপুরের ইলিয়াস আলী মোল্লা বস্তির ভয়াবহ আগুনে পুড়ে গেছে আট হাজারের বেশি ঘর। আহত অবস্থায় এক নারীকে ভর্তি করা হয়েছে ঢাকা মেডিকেল। ভোররাতে আগুন লাগে বস্তিতে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ২১টি ইউনিটের ৫ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। বস্তির সরু গলি ও পানির স্বল্পতার কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে বেশ বেগ পেতে হয় ফায়ার সার্ভিসকে। এ ধরণের আগুন নিয়ন্ত্রণে সবসেবা সংস্থাকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

ভোররাত ৪টা। মিরপুর-১২ নম্বর সেকশনের ইলিয়াস আলী মোল্লা বস্তিতে হঠাৎ দাউ দাউ আগুন। মুহূর্তেই তা ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের ঘরগুলোতে। কোনো রকমে প্রাণ নিয়ে বস্তিবাসী বেরিয়ে আসতে পারলেও পুড়ে যায় সহায়-সম্বল। আগুন নেভাতে প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি, পরে যোগ দেয় আরো ৮টি ইউনিট। ভোর রাত কেটে সূর্যের আলো ফোটে, কিন্তু আগুনের লেলিহান শিখা নিয়ন্ত্রণে আসেনি। ততক্ষণে ছাই ভস্মে বস্তিবাসীর সম্বল।

তারা বলেন, আমাদের কাপড় থেকে শুরু করে সকল কিছুই পুড়ে গেছে।

মিরপুরে এই বস্তিতে আট হাজারের মত টিনের ঘরে প্রায় ২৫ হাজার লোকের বসবাস। আগুনে প্রাণহানি না হলেও আহত হয়েছেন এক নারী। তাকে ভর্তি করা হয়েছে ঢাকা মেডিকেলে। আগুনের সূত্রপাতের বিষয়ে নিশ্চিত নয় ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক মেজর এ কে এম শাকিল নেওয়াজ বলেন, এখানে ইলেকট্রিক লাইন ও গ্যাস লাইন ছিল। ঠিক কোন সূত্র থেকে আগুন লেগেছে তা এখনই বোঝা যাচ্ছে না। তবে তারা প্রথমেই বিষয়টি বুঝতে পারলে এত ক্ষতি থেকে বাঁচা যেত। আগুনের বিস্তৃতির তুলনায় হতাহতের সংখ্যা অনেক কম।

আগুনে পুড়েছে সব, এরপরও ছাইয়ের ভিতর থেকে যদি কিছু পাওয়া যায়, এই আশায় সকাল হতেই ছুটে যায় বস্তিবাসী। ভবিষ্যতের নানা শঙ্কা এখন তাদের চোখে মুখে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451