রামগঞ্জ প্রতিনিধি :
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার কালিকাপুর উচ্চ বিদ্যালয় ৮ম শ্রেণির ছাত্রী তানিয়ার
আক্তারের বিয়ে ঠেকাতে পারলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আবু ইউসুফ।
উপজেলা প্রশাসণের বাধা উপেক্ষা করে স্থানীয় ইউপি মেম্বার জহির
উদ্দিন,চৌকিদার আক্তার হোসেন মোহাম্মদীয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ২জন পুলিশ
অফিসারের সহায়তা নিয়ে বিয়ে দেন।
জানাযায় উপজেলার উত্তর কালিকাপুর গ্রামের ইসমাইল মুন্সী বাড়ির বাবুল
হোসেনের মেয়ে ও কালিকাপুর উচ্চ বিদ্যালয় ৮ম শ্রেণির ছাত্রী তানিয়ার বিবাহ
বৃহস্প্রতিবার আয়োজন করেন।
স্থানীয়রা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ৮ম শ্রেণির ছাত্রী তানিয়ার বিবাহ
জানান । তাৎক্ষনিক উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা
ও ইউপি চেয়ারম্যান,সচিব,ইউপি মেম্বার ও গ্রাম্য পুলিশকে বিয়ে বন্ধ করার আদেশ
দেন।
ইউপি চেয়ারম্যান মাহেনারা পারভীন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার
প্রতিনিধি বোরহান উদ্দিন জন্ম নিবান্ধন জব্দ ও বিয়ে বন্ধ করার জন্য স্থানীয়
মেম্বার জহির,গ্রাম পুলিশ আক্তারকে দায়িত্বে দেন।
প্রশাসনের বাধা উপেক্ষিত হয়ে ইউপি মেম্বার জহির উদ্দিন,গ্রাম পুলিশ আক্তার
কৌশলে নিদিষ্ট সময়ে বিয়ে কাজ করেন।
সৃষ্ঠ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে মন্টু রাফি নামে একজন অতিথি মুঠোফোনে জানান
বিয়েতে মোহাম্মদীয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের দু’জন পুলিশ অফিসার অতিথি
হিসেবে দাওয়াত গ্রহন করেন।
গ্রাম্য পুলিশ আক্তার হোসেন জানান বিয়ে অনুষ্ঠান তার বাড়ীতে হওয়ায় তিনি
বন্ধ করতে পারেনি। তিনি জানান বিয়েতে দু’পুলিশ অফিসার দাওয়াত গ্রহণ করায়
তানিয়ার অভিভাবক বীরদর্পে বিয়ের কাজ করেন।
ইউপি মেম্বার জহির উদ্দিন জানান তানিয়ার বিয়ে গত সপ্তাহ কোর্ট
এভিডেবিটে বিয়ে হয়েছে। বিয়ে বন্ধ করতে তিনি অপরাগতা জানান।
ইউপি চেয়ারম্যান মাহেনারা পারভীন জানান গ্রাম্য পুলিশ ও মেম্বার দায়িত্বহীনতার
কারণে তানিয়ার বিয়ে হয়।
মোহাম্মদীয়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোসলেহ উদ্দিন,এসআই বেলাল জানান
বিয়েতে পুলিশের কোন সদস্য উপস্থিত বিষয়টি তিনি তদন্ত করবো।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আবু ইউসুফ জানান প্রশাসণের বাধা উপেক্ষা
করে মেম্বার ও চৌকিদার স্কুল ছাত্রী তানিয়ার বিয়ে দেওয়ার বিষয়ে সুষ্ঠ তদন্ত চলছে।