বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮
  • ২৬৬ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
গত ১৮/০২/২০১৮ইং তারিখে দৈনিক বণিক বার্তার শেষ পৃষ্ঠায় “চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার স্ক্যানিং এসজিএস কর্মীদের পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ এবং বিভিন্ন অসংলগ্নতা তুলে ধরা হলোঃ
উল্লেখ্য এস জি এস বিগত ২০০৯ইং সাল হতে চট্টগ্রাম বন্দরে স্থাপিত তিনটি রিলোকেটেবল ও ১টি মোবাইল কন্টেইনার স্ক্যানার সহ ১০টি রেডিয়েশন ডিটেকশন মেশিন অত্যন্ত দক্ষতার সাথে বন্দরের কার্যক্রম পরিচালিত করে আসছি। বন্দরের কার্যক্রম বিগত কয়েক বৎসরে বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তার সাথে পাল্লা দিয়ে ২০০৯ইং সালের নিয়োগকৃত নির্দিষ্ট সংখ্যক কর্মকর্তা, কর্মচারী দিয়ে বর্তমানের বহুলাংশের বর্ধিত অপারেশন পরিচালনা করে আসছে। গাণিতিক হিসেবে ২০০৯ইং সালে স্ক্যান কৃত মোট কন্টেইনারের সংখ্যা  ৯৬০০০ বর্তমান সমাপ্ত ২০১৭ইং তা ৪২০০০০।
রিপোর্ট এ উল্লেখিত গত ১৭ই অক্টোবর ২০১৭ইং এস জি এস কর্মকর্তা, কর্মচারীদের আকস্মিক ধর্মঘট সম্পর্কিত বক্তব্য সত্যিকার অর্থে প্রতিবাদ হয়নি। উল্লেখ্য গত ১৭ই অক্টোবর ২০১৭ইং কাস্টম পরিচালিত মোবাইল স্ক্যানার মেশিন এর অপারেশন এবং মেইন্টেইন্যন্স মেয়াদ শেষ হওয়ায় মোবাইল স্ক্যানার এ কর্মরত ১৬জন কর্মকর্তা, কর্মচারী কে চাকরীচ্যুত করা হলে চাকুরী পুনর্বহাল করার আবেদন কাস্টম কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলে কাস্টম কর্তৃপক্ষ আশ্বাস প্রদান করেন যে, অভিজ্ঞ কর্মকর্তা, কর্মচারীদের পরবর্তীতে পদায়ন করা হবে এবং বর্তমানে এস জি এস কর্তৃপক্ষকে তাদের কে পুনর্বহাল করার অনুরোধ করলে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও পেশাদারিত্বের খাতিরে, জাতীয় স্বার্থে এবং মানবিক কারণে উক্ত কর্মকর্তা, কর্মচারীদের চাকুরীতে পুনঃপদায়ন করা হয়। আলোচিত ঘটনা নিতান্তই দুর্ঘটনা এবং ভুল বুঝাবুঝি।
রিপোর্টে উল্লেখিত ১৯শে জুন ২০১৭ইং বন্দরে স্ক্যানিং কার্যক্রম বন্ধ হওয়া সংক্রান্ত বক্তব্যে প্রতিবেদক নিজেই উল্লেখ করেছেন মেয়াদোত্তীর্ন পাস নিয়ে এস জি এস কর্মীদের বন্দরের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে না দেয়ায় স্ক্যানিং কার্যক্রম ৫ ঘণ্টা বন্ধ থাকে। এটা স্বাভাবিক যে, কর্মীরা বন্দর অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে না পারলে স্ক্যানিং কার্যক্রম ব্যাহত হবে। যা মোটেও পূর্ব পরিকল্পিত নহে। গত ১৯শে জুন ২০১৭ইং বন্দর নিরাপত্তা কর্মীরা মেয়াদোত্তীর্ন পাশের কারণে এস জি এস কর্মীদের বন্দর অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে না দিলে নিয়ম অনুযায়ী কাস্টমস কর্তৃপক্ষ কে অবহিত করা হলে তৎকালীন সহকারী কমিশনার (স্ক্যানার) জানান আপনাদের প্রবেশে বাধা দিলে আপনারা গেইটের বাহিরে অপেক্ষা করেন। পরবর্তীতে কাস্টমস হাউস চট্টগ্রাম এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বৃন্দ, বন্দর নিরাপত্তা পরিচালকের হস্তক্ষেপ কামনা করলে উপ নিরাপত্তা পরিচালক তাৎক্ষণিক ভাবে কর্মীদের প্রবেশের বিহিত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন যা মোটেও ঘণ্টা খানেকের বেশী নয়। এখানে আরও উল্লেখ্য যে, প্রতি বছরের ন্যায় ২০১৬ইং ডিসেম্বর মাসে বন্দর নিরাপত্তা পাস গ্রহণের সকল নিয়ম অনুসরণ করে নির্দিষ্ট ফি প্রদান পূর্বক ২০১৭ সালের নিরাপত্তা পাসের জন্য আবেদন করা হলেও ২০১৭ সাল পুরো বৎসরই বন্দর কর্তৃপক্ষ পাস সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়। এ ব্যাপারে কাস্টম কমিশনার বন্দর কর্তৃপক্ষকে স্ক্যানিং কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য এস জি এস কর্মীদের দ্রুত পাস প্রদানের জন্য বিভিন্ন সময় বন্দর নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ কে পত্র মারফত তাগাদা দেয়া হয়। পুরো ২০১৭ সাল বন্দরের মত সংরক্ষিত এলাকায় এস জি এস কর্মীরা মেয়াদোত্তীর্ন নিরাপত্তা পাস নিয়ে বন্দর নিরাপত্তা কর্মীদের প্রতিনিয়ত হেনস্তার মধ্যে পেশাদারিত্বের খাতিরে স্ক্যানিং কার্যক্রম অব্যাহত রাখে।
নিচে ছকের মাধ্যমে গত ১৮,১৯ ও ২০ জুন ২০১৭ইং এর স্ক্যানিং পরিসংখ্যান তুলে ধরা হলোঃ
তারিখ স্ক্যান কৃত কন্টেইনার এর সংখ্যা
১৮/০৬/২০১৭ইং ৮৭৯
১৯/০৬/২০১৭ইং ৯৩৩
২০/০৬/২০১৭ইং ৮৬৪
উক্ত ছকের মাধ্যমে প্রতীয়মান হয় যে, ১৯শে জুন ২০১৭ইং বন্দরের কার্যক্রম কোন রূপ ব্যাহত হয় নি উপরন্তু কন্টেইনার স্ক্যানিং এর পরিমাণ আরও বেশি ছিল।
 রিপোর্ট এ আরও উল্লেখ করা হয় যে, এস জি এস দরপত্র কার্যক্রম বন্ধে উচ্চ আদালতে রিট করেন মূলত এস জি এস কোন ধরনের রিট করেনি তবে পত্রিকায় প্রকাশিত বিভিন্ন সময়ে ধাপে ধাপে সংশোধিত টেন্ডার এর বিভিন্ন অসঙ্গতি তুলে ধরে কাস্টম কমিশনার চট্টগ্রাম এবং এন বি আর চেয়ারম্যান কে অবহিত করা হলে অসঙ্গতি গুলো যৌক্তিক মনে করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আমাদের আশ্বস্ত করেন। উক্ত প্রতিবেদনে এস জি এস এর ব্যবস্থাপক মিজানুর রহমানের বক্তব্য সঠিক ভাবে আসে নি। যেহেতু এস জি এস কোন আইনি আশ্রয় নেই নি সেহেতু এস জি এস আইনি লড়াই এর কথা উল্লেখ করেছেন তা অবাস্তব।
এস জি এস ১৯৭২সাল থেকে অত্যন্ত সুনাম এবং দক্ষতার সাথে বাংলাদেশে বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। দৈনিক বণিক বার্তার মত স্বনামধন্য পত্রিকায় এধরনের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এরূপ ভিত্তিহীন এবং অসংলগ্ন প্রতিবেদন প্রকাশ মোটেই কাম্য নয়। যা নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পরিপন্থী। এ ধরনের ভিত্তিহীন প্রতিবেদন যাতে কোন ব্যক্তি/গোষ্ঠীর স্বার্থ সিদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত না হয় তার প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখার আন্তরিক আহ্বান জানাচ্ছি।
চ,ব,প্র

প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451