সেলিম হায়দার :-
ডাক্তার,ওষুধ থেকে শুরু করে নানা সংকটে জনসাধারণকে সাথে নিয়ে তালা
প্রেসক্লাবের ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। সোমবার (১৫
জানুয়ারি ) সকাল ১১ টায় প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত
হয়। অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচী ও পথসভার সভাপতিত্ব করেন তালা প্রেসক্লাবের
সভাপতি প্রভাষক প্রণব ঘোষ বাবলু।
তালা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সরদার মশিয়ার রহমানের পরিচালনায় সভায়
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ
নুরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালা উপজেলা পরিষদের
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেবুন্নেছা খানম, মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুর
রহমান, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা কলেজের অধ্যক্ষ এনামুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সহ-
সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম, তালা সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের
সভাপতি সরদার জাকির হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি
মুক্তিযোদ্ধা মোড়ল আব্দুর রশিদ, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও
ভূমিজ ফাউন্ডেশন পরিচালক অচিন্ত্য সাহা, উন্নয়ন প্রচেষ্টার পরিচালক শেখ
ইয়াকুব আলী, মুক্তি ফাউন্ডেশনের পরিচালক গোবিন্দ ঘোষ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা
সংসদের সাবেক কমান্ডার মোঃ মফিজ উদ্দীন, ডেপুটি কমান্ডার মোঃ আলাউদ্দীন
জোয়াদ্দার, তালা প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা এমএ হাকিম, জেএসডি’র কেন্দ্রীয়
নেতা মীর জিল্লুর রহমান, তালা বাজার বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি কাজী
মারুফ হোসেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সরদার ইমান আলী, মোঃ রফিকুল
ইসলাম, লোকমান হোসেন, উপজেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি গাজী আব্দুল
জলিল, উপজেলা আওয়ামী লীগনেতা পিএম গোলাম মোস্তফা, জেলা বিএনপির
সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক মোশারাফ হোসেন, শুভাষিনী কলেজের অধ্যক্ষ কামরুল
ইসলাম সেলিম, মাগুরা আইডিয়াল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ রামপ্রসাদ দাশ, তালা থানা
জেএসডির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল ইসলাম, দলিত পরিষদের নেতা উদয় দাশ এবং
মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডোর তালা উপজেলা সভাপতি মোঃ জাহিদুর রহমান লিটু
প্রমুখ।
উল্লেখ্য যে, তালা উপজেলায় প্রায় ৪ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবার একমাত্র অবলম্বন
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। সেখানে ৩৪ জন ডাক্তারের পদ থাকলেও আছে মাত্র ৬ জন।
তারমধ্যে অনেকেই আছেন ডেপুটিশনে আবার কেউ রয়েছেন প্রশিক্ষনে।
বর্তমানে হাসপাতালটিতে নেই কোন বিভাগীয় অভিজ্ঞ ডাক্তার কিংবা
সার্জন,এ্যানেসথেসিয়া,গাইনী, চক্ষু, কনসালটেন্ট ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। ফলে
হাসপাতালে কোন মারাত্মক রোগী এলে তা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
অথবা সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। ডাক্তার সংকটের পাশাপাশি রয়েছে
ওষুধ সংকট। খাদ্য তালিকা অনুযায়ী নেই সঠিক বন্টন। হাসপাতালের একমাত্র এক্স-
রে মেশিনটি বিকল থাকায় রোগীদের ছুটতে হয় বাহিরে কোন প্রাইভেট
ক্লিনিক অথবা সাতক্ষীরা কিংবা খুলনায়। এ সকল নানাবিধ দৈন্যদশার ফলে
তালাবাসীর স্বাস্থ্য সেবা আজ হুমকির মুখে।