রামগঞ্জ প্রতিনিধি:
লক্ষীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার করপাড়া ইউপি
ছাত্রলীগের আহবায়ককে মারধরে ঘটনা সোমবার
রাতে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা শ্যামপুর বাজারে
সবুজ কম্পিউটার সেন্টারে হামলা চালিয়ে
ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাটের তান্ডব চালায়।
হামলাকারীরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক সবুজ
হোসেন ও তার ভাই সুমন হোসেনকে মারধর করে।
সুত্রে জানায়,সোমবার সন্ধ্যায় ভাটিয়ালপুর
গ্রামের যুবলীগের সমর্থক ফরাদ হোসেন
করপাড়া ছাত্রলীগের আহবায়ক কাউছার হামিদ
মিন্টুকে মমিনপুর আনুর বাড়ির সামনে
ডেকে নিয়ে মারধর করে। এতে ক্ষীপ্ত হয়ে
কাউছারের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের একটি গ্রুপ
শ্যামপুর বাজার সবুজ কম্পিউটার সেন্টার
হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। সবুজ
কম্পিটার সেন্টারের মালিক সবুজ হোসেন
বলেন,করপাড়া ইউপি যুবলীগের আহবায়ক
কাউছার হামিদ মিন্টুর সাথে শাহ জকি উচ্চ
বিদ্যালয় ছাত্রলীগের কমিটি গঠন নিয়ে
যুবলীগের সভাপতি আবু জাফর রানার কর্মিদের
সাথে সোমবার সন্ধ্যায় মমিনপুর আনু বাড়ির
সামনে বাক-বিতন্ডের এক পর্যায়ে মারধরের
ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় আমার অবাধ্য ভাই ফরাদ
সেখানে উপস্থিত থাকার অজুহাতে কাউছারের
নেতৃত্বে ছাত্রলীগের একটি গ্রুপ আমার
ব্যবসা প্রতিষ্ঠা ভাংচুর করে নগদ ২০হাজার
টাকা,৫টি মোবাইল সেট সহ মুল্যমান মালামাল
লুটপাট করে নিয়ে যায়। আবু জাফর রানা
বলেন,ছাত্রলীগের আহবায়ক কাউছার হামিদ
মিন্টু ও যুগ্ন আহবায়ক জকি উদ্দিন
অস্ত্রেসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মমিনপুর গিয়ে
ফরাদকে অপহরনের চেষ্টা করে। এসময় ফরাদ চিৎকার
দিলে গ্রামবাসী ছুটে এসে কাউছারকে মারধর
করে। করপাড়া ইউপি আ‘লীগের সভাপতি ও ইউপি
চেয়ারম্যান মজিবুল হক মজিব বলেন,আবু জাফর
রানার নেতৃত্বে একটি গ্রুপ পরিকল্পিত ভাবে
ছাত্রলীগের আহবায়ক কাউছার হামিদ মিন্টুকে
পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। শ্যামপুর বাজারে নাম
মাত্র কম্পিটারের ব্যবসা দিয়ে সবুজ সন্ত্রাসী
গ্রুপের মাঝে তথ্য আদান-প্রদান করে।
ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে
হামলা চালিয়ে ভাংচুর-লুটপাটের অভিযোগ
কাল্পনিক। মিথ্যা মামলা দিয়ে ছাত্রলীগের নেতা-
কর্মীদের হয়রানী করতে রাতের আধারে অদৃশ্য ব্যক্তি
ভাংচুর করেছে।