রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

চুয়াডাঙ্গার দর্শনা কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর ৮ বস্তা সার আত্মসাৎ-এর অভিযোগ

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শনিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৭
  • ২৫৪ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি :

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ৬২ নং আড়িয়া গ্রামে অবস্থিত কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর ৬২ নং আড়িয়া বানিজিক খামারের ইনচার্জের বিরুদ্ধে কোম্পানীর ৮ বস্তা সার আত্মসাৎ-এর অভিযোগ উঠেছে। সার আত্মসাত-এর ঘটনায় খামার ইনচার্জ নিজেকে রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন মহলে দৌড়ঝাপ শুরু করেছে। সার আত্মসাৎ-এর ঘটনায় উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা সরেজমিনে এসে তদন্ত করেছে। অন্যদিকে এই ঘটনায় নিজেকে নিদোর্ষ প্রমান সহ অন্যের উপর দায় চাপিয়ে নিজে ধোয়া তুলসি পাতা প্রমানে জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ফার্ম ইনচার্জ।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার কেরুজ কেন্দ্রীয় সার গোডাউন থেকে ৬২ নং আড়িয়া বানিজ্যিক খামারের চাহিদা মোতাবেক ১শ বস্তা সার সরবরাহ করা হয়। বরাদ্দকৃত সার গোডাউন থেকে কেরুর নিজস্ব পরিবহনে বোঝায় করার সময় ৮ বস্তা সার গোডাউনের জনৈক শ্রমিকের কাছে কৌশলে রেখে ১৯২ বস্তা সার ফার্মে নিয়ে আসেন। ফার্মে সার পৌছানোর পর শ্রমিকরা আনলোড করার সময় গুনে ৮ বস্তা সার কম পান। যার মধ্যে ১ বস্তা এম.ও পি সার,ইউরিয়া সার ৩ বস্তা ও টি এস পি ৪ বস্তা। পরে শ্রমিকরা খামার ইনচার্জ মনজুর ইসলামকে বিষয়টি জানালে তিনি শ্রমিকদের চুপ থাকার নিদের্শ দেন। কিন্ত শ্রমিকরা এর প্রতিবাদ জানালে তিনি শ্রমিকদের দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে বলে, সার কম হলো না বেশি হল সেটা আমি দেখবো তোমাদের দেখার দরকার নেই। যদি বেশি বুঝবার চেষ্টা করো তাহলে কাল থেকে ফার্মে কাজ করতে আসার দরকার নেই। পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হয়ে পড়লে খামার ইনচার্জ নিজেকে রক্ষার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে। পরবর্তীতে শুক্রবার সরেজমিনে সার আত্মসাৎ-এর ঘটনাটি তদন্ত করতে ফার্মে আসেন কেরু এন্ড কোম্পানীর উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ। এদিকে ফার্মের শ্রমিকরা অভিযোগ করে বলেন, মনজুর ইসলাম ৬২ নং আড়িয়া খামারে যোগদান করার পর থেকেই বিভিন্ন অনিয়ম করে আসছিলো। কিন্ত কাজ না দেওয়ার ভয় দেখিয়ে শ্রমিকদের তিনি বাকরুদ্ধ করে করেছিলো। এর আগেও সে ফার্ম থেকে সার চুরি করেছিলো। কিন্ত সেই ঘটনাটি তিনি চুক্তিভিত্তিক দুজন শ্রমিকের কাধে দোষ চাপিয়ে ও তাদের নামে মামলা করে নিজেকে রক্ষা করেন। সাধারণ শ্রমিকদের বলির পাঠা বানিয়ে তিনি সে দফায় রক্ষা পেয়ে গেলেও এবার তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয় কিনা কিংবা ঘটনাটি কোন খাতে প্রবাহিত হয় সেটায় দেখার পালা বলে মনে করছেন ফার্মের সাধারণ শ্রমিকবৃন্দ ।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451