বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

মুকসুদপুরে ধানি জমি কেটে বালু উত্তোলন লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি প্রভাবশালী মহল

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৭
  • ১৯৫ বার পড়া হয়েছে
মুকসুদপুরে ধানি জমি কেটে বালু উত্তোলন লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি প্রভাবশালী মহল

 
এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জ জেলার
মুকসুদপুর উপজেলার পশারগাতি গ্রামের মধ্যপাড়ায় ধানি
জমি কেটে বালু উত্তোলন করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে
নিচ্ছে এলাকার প্রভাবশালী একটি মহল। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট
প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছে না
ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকেরা।
সরোজমীন অনুসন্ধানে জানা যায়, পশারগাতি গ্রামের
মধ্যপাড়ায় এক ইউপি সদস্যের ভাই নিজস্ব ৬২ শতক জমিতে
ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করে বিভিন্ন জনের কাছে
বিক্রি করে আসছে। এক পর্যায়ে পার্শ্ববর্তী ধানি জমি
ধ্বসে পড়তে শুরু করলে কৃষকরা আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়ে।
এতে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক আকবার শেখ, আলতাব খান,
মোকছেদ মোল্লা, হাাফিজুর রহমান বালু উত্তোলনে বাধা
প্রদান করলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং কৃষকদের জমির
টাকা অথবা জমির বদলে নেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে
থাকে। উপায়ন্ত না দেখে কৃষকরা ধানি জমি হারানোর
শঙ্কায় ওই প্রভাবশালী ভূমিদস্যুদের বালু কাটা বন্ধের জন্য
জেলা প্রশাসক গোপালগঞ্জ বরাবর আবেদন করে। কিন্তু এ
পর্যন্ত কোন প্রতিকার না পেয়ে জমি হারানোর ভয়ে
বর্তমানে শঙ্কিত হয়ে পড়েছে ভুক্তভোগী কৃষকরা।
ভুক্তভোগী কৃষক মোকছেদ মোল্লা জানান, আমার ১৬
শতাংশ জমি ভেঙে গেছে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের বিভিন্ন
জায়গায় জানিয়েও কোনো ফল পাইনি। এমনি অভিযোগ
করেছেন আরো কয়েকজন কৃষক।

মুকসুদপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো:
আক্তারুজ্জামান শাহিন জানান, আমার কাছে এ ধরনের
কোনো নির্দেশনা বা অভিযোগ আসেনি। আসলে
অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451