সোহেল রানা সোহাগ,সিরাজগঞ্জ থেকে ঃ সিরাজগঞ্জের তাড়াশে
২ বছর যাবৎ ঝুঁকিপুর্ন ভবনেই সুমূহ ক্ষতির সম্ভাবনা নিয়েই চলছে
বন বিভাগের কার্যক্রম । সরজমিনের বন বিভাগের তাড়াশ উপজেলা
কার্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে,ভবনটি জরার্জীন অবস্থা বিরাজ করছে।
এর মধ্যেই কাজ করছেন বন বিভাগের উপজেলা কার্যালয়ে কর্মরত মালী
জয়নাল আবেদীন (৪৭)। ঘরে চালা নেই,ভবনের দেওয়ালে ধরেছে বড় বড় ফাটল।
নেই কোন আসবাব পত্র। অথচ এটাই বন বিভাগের উপজেলা কার্যালয়।
উপজেলান বন কর্মকর্তা মসলেম উদ্দিন জানান,১৯৮০ সালে নির্মিত বন
বিভাগের বর্তমান কার্যালয়টি আধা পাকা ভবনে সরকারী হাসমুরগীর
খামার কার্যালয় করা হয়। পরে উপজেলা প্রতিষ্ঠা হলেএ ভবনেই উপজেলা বন
বিভাগের অফিস স্থাপন করা হয়। এর পর গত ৩০ বছরেও এ ভবনের কোন
সংস্কার কাজ করা হয়নি। সরবরাহ করা হয়নি কোন আসবাব পত্র । তার পরও
স্থানীয় ভাবে বন কর্মকর্তারা এখানেই অফিস করে থাকেন।
ঝুাঁকিপুর্ন হলেও এখানে বনবিভাগের চারা বীজ উৎপাদন,২য় চারা
আবর্তন,বাগান কর্তন,বিভিন্ন উৎপাদিত চারা বিক্রির কাজ সহ
অফিসের যাবতীয় কার্যাবলী সর্ম্পুন করতে হয় বাধ্য হয়েই। এদিকে
২০১৫ সালে কাল বৈশাখী ঝড়ে জরাজীর্ন ভবনটির চালা উড়ে যায়। ফাটল
ধরে ভবনের দেওয়ালে । পরিত্যাক্ত ভবনে ২ বছর ঢুকতেই পারেনি উপজেলা বন
কর্মকর্তা মসলেম উদ্দিন। আর এ ঝড়েই একে বারেই পরিত্যাক্ত হয়ে পরে
উপজেলা বন বিভাগের কার্যালয়টি। তার পরও করার কিছুই নেই।
বর্তমানে উপজেলা বন বিভাগের সকল কাগজ পত্র উপজেলা বন
কর্মকর্তপার বাড়ীতে রেখে সকল কার্যক্রম চলছে এমনটি জানিয়েছেন
উপজেলা বন কর্মকর্তা মো.মসলেম উদ্দিন। এ প্রসঙ্গে এস এম
ফেরদৌস ইসলাম জানান, উপজেলা বন বিভাগের কার্যালয়টি জরাজীর্ন
হলেও তারা নতুন ভবনের জন্য কোন আবেদন করেননি। আবেদন করলে ব্যবস্থা
নেওয়া হবে।#