শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

রাখাইনে স্কুল খুলেছে, স্থিতাবস্থা ফিরেছে’ সরকারের দাবি’

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় রবিবার, ১ অক্টোবর, ২০১৭
  • ২৯৬ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্যের স্কুলগুলো খুলছে। গত আগস্টের পর থেকে এসব স্কুল বন্ধ ছিল। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলোর দাবি, এসব অঞ্চলে ‘স্থিতাবস্থা’ ফিরে এসেছে।

মংগদু ও বুথিডং নামে রাখাইনের দুই এলাকায় স্কুলগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার দেশটির শিক্ষা কর্মকর্তারা গণমাধ্যমে এ তথ্য দিয়েছেন।

আরব নিউজে বলা হয়, রাখাইনের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজনের দাবি, এসব এলাকার গ্রামের স্কুলগুলো এখন নিরাপদ।

তবে রাখাইনের শিক্ষাবিষয়ক কর্মকর্তারা বলেছেন, ‘কিন্তু আমাদের বাঙালি গ্রামের স্কুলগুলো নিয়ে ভাবতে হবে।’

আরব নিউজের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমারের সরকার রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ বলে জানে। রোহিঙ্গাদের নিজের দেশের বলে স্বীকৃতি দিতে নারাজ দেশটির সরকার।

গত ২৫ আগস্টের পর থেকে মিয়ানমার সরকারের নির্যাতনের শিকার হয়ে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। এর বেশির ভাগই মংগদু ও বুথিডংয়ের। জাতিসংঘ মিয়ানমারের এ নির্যাতনকে ‘জাতিগত নিধন’ বলে অভিহিত করেছে।

যেসব রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, তাদের অধিকাংশই মুসলিম। তবে রাখাইনের ৩০ হাজার বৌদ্ধ-হিন্দুও সেনাবাহিনীর নির্যাতনে ঘরছাড়া হয়েছে।

প্রাণ বাঁচাতে নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগর পার হয়েও বাংলাদেশে প্রবেশ করছে রোহিঙ্গারা। আর একাধিকবার নৌকাডুবিতে মারা গেছে বহু মানুষ। গত বৃহস্পতিবার এমনই একটি নৌকাডুবিতে ৬০ জন রোহিঙ্গা মারা যায়। নৌকাটি রোহিঙ্গাদের নিয়ে বুথিডং থেকে বাংলাদেশে আসছিল।

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সাহায্য করছে জাতিসংঘ। এদিকে মিয়ানমারের অভিযোগ জাতিসংঘসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে।

সহিংসতার দায়ভার নিজেদের ওপর নিতে রাজি নয় মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। সেনাদের দাবি, ‘রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা’ই এ সহিংসতা শুরু করেছে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451