রামগঞ্জ প্রতিনিধি :
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার রাঘবপুর গ্রামের শিখা আক্তার নামে স্ত্রীর কর্ত্তৃক
শ্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুকের দাবীতে স্ত্রী,শিশু সন্তানের উপর পাশবিক
নির্যাতনের অভিযোগ করেন।
৯মাসের শিশু সন্তান কাধেঁ নিয়ে বিচারের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে শিখা আক্তার।
শ্বামীর ভাড়াটে মাস্তানের অব্যাহত হুমকিতে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন
তিনি।
শনিবার দুপুরে পৌরশহরের একটি মানব অধিকার সংগঠনের কার্যালয়ে
লিখিত বক্তব্য তিনি জানান দু’বছর আগে চাচাতো ভাই রাকিব হোসেন
ভাড়াটে মাস্তান দিয়ে তাকে তুলে নিয়ে বিয়ে করতে বাধ্য করেন। দু’জনের
বিয়ের বয়স না হওয়ায় উভয় পক্ষের অভিভাবকের রফায় কোট ম্যারিজে হলফনামা
৩লাখ টাকায় দেনমোহর ধার্য হয় এবং কাবিন নামা বিলম্বে করার নেন।
বিয়ের পরেই রাকিব হোসেন একাধিক মেয়ের সাথে পরকীয়া প্রেমে আসক্ত
প্রতিবাদ জানান শিখা। এতে ক্ষীপ্ত হয়ে রাকিব হোসেন তাকে কয়েকবার
শাররীক নির্যাতনসহ শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করেন।
শিখাঅন্ত:সত্ত্বা হয়ে পড়লে শিখার শ্বামীর রাকীব হোসেন তাকে পিতা-মাতার
কাছে রেখে কৌশলে ঢাকায় চলে যায়। ঢাকা গিয়ে শিখার ভরন-পোষণ না
নিয়ে রাকিব হোসেন পিতা দেলোয়ার হোসেন, মা আমেনা বেগমকে
দিয়ে পিত্রালয় নিবাসে যেতে বাধ্য করেন।
৯ মাসের শিশু সন্তানকে পিতৃ পরিচয় না দিয়ে শিখার নামে অপবাদ দিয়ে
বিয়ে বিচ্ছেদ করার চেষ্টা করেন রাকিব।
শিখার পিতা রিকসা চালক খোকন মিয়া জানান রাকিব হোসেন তার বড়
ভাইয়ের ছেলে। তিনি রিকসা ড্রাইভার হলেও ভাইয়ের জমিদারীর অহংকারে
রাকিব তার মেয়েকে প্রাণনাসের হুমকি দিয়ে গৃহ ছাড়তে বাধ্য করেন।
অভিযুক্ত রাকিব মুঠোফোনে বলেন তিনি প্রতারণা শিকার পরে বিস্তারিত
জানাবে বলে এড়িয়ে যান।
ইউপি চেয়ারম্যান সহিদ উল্যাহ জানান শিখার নির্যাতনের ঘটনা বিষয়
গ্রামের মাতাব্বর হস্তক্ষপ করলে রাকিব ভাড়াটে মাস্তান দিয়ে প্রাণনাসের
হুমকি দেয়।
ইউপি মেম্বার ফয়েজ আহম্মদ জানান শিখার উপর পাশবিক নির্যাতনের
ঘটনা সত্য ।
থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি মোহাম্মদ তোতা মিয়া জানান শিখা
আইনে সহায়তা চাহিলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করবো।