শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

উত্তরাঞ্চলের বন্যার প্রভাব এবার চাঁদপুরে: ভাঙ্গনের কবলে রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৭
  • ৪৪৯ বার পড়া হয়েছে

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনার অদূরে সদর উপজেলার ১৪নং রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন। হঠাৎ করে সেখানে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙন। দেশের উত্তরাঞ্চলের বন্যার পানির চাপে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা তীরবর্তী এলাকাগুলোর এই অবস্থা। এতে কয়েকটি গ্রামের শত শত বসতঘর, ফসলি জমি, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে নতুন করে ভাঙন আতঙ্কে এলাকাবাসী। উত্তর-পূর্বে মেঘনা, অন্য দু‘পাশে পদ্মা। এই হলো চাঁদপুর সদরের রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন। দ্বীপের মতো বিশাল এই জনপদটিতে হঠাৎ করে নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে মান্দেরবাজার, গোয়ালনগর, বেপারিকান্দি ও লগ্গীমারা নামের কয়েকটি গ্রাম পদ্মা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে ভাঙন কবলিত এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো অন্যত্র স্থানান্তর করতে হচ্ছে। আবার নতুন করে ভাঙন আতঙ্কে অনেকেই দিশেহারা। ভাঙন রক্ষার দাবিতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মানববন্ধনও করেছে। উত্তাল পদ্মা-মেঘনার প্রবল স্রোতে ভাঙনের কবলে পড়ে ভিটেমাটি হারিয়ে আর্তনাদ করছেন চাঁদপুর সদর উপজেলার ১৪ নং রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের প্রায় অর্ধশত পরিবার। আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন এদিক সেদিক, কিন্তু চারদিকেই তো উত্তাল নদী ঘেরা। কোথায় যাবেন পরিবার-পরিজন ও গবাদি পশু সহ ভাঙ্গন কবলিতরা নানা চিন্তায় অসহায় হয়ে পড়েছেন। ভাঙ্গনকৃত ও ভাঙ্গনের আশংকাকৃত এলাকাগুলোতে পরিদর্শন করেন চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজা ফাতেমা। বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষনাত অসহায় মানুষগুলোকে শুকনো খাবার ও ঔষধ নিয়ে ঘটনা স্থলে ছুটে যান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিষেক দাস। ভাঙনের হাত থেকে রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নকে রক্ষার ব্যাপারে চিন্তা ভাবনা চলছে বলে জানালেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা। এ দুঃখ গাঁথা ইউনিয়নটিতে প্রায় ৩০ হাজার জনসংখ্যা অধ্যুষিত রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সাতটি, মাদ্রাসা ও উচ্চ বিদ্যালয় দুটি এবং বাজার রয়েছে তিনটি।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451