অনলাইন ডেস্ক,
কক্সবাজারের হিমছড়ি ঝরনায় পাহাড়ধসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার বিকেল ৪টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত ওই ছাত্রের নাম সাব্বির আলম রিদুয়ান (২১)। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তিনি রাজধানী ঢাকার উত্তরার বাসিন্দা নুরুল আলম বাচ্চুর ছেলে। পাহাড়ধসের ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো দুইজন ছাত্র।
কক্সবাজারের হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত পুলিশ পরিদর্শক মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, “হিমছড়ি রংধনু নামে পরিচিত পাহাড়ি ঝরনার নৈসর্গিক দৃশ্য উপভোগ করতে গিয়ে আকস্মিক পাহাড়ধসের শিকার হন একদল ছাত্র। তাদেরই একজন পাহাড় ধসে পড়া মাটির নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। ”
জানা গেছে, ঢাকা থেকে সাতজন ছাত্রের দলটি গতকাল শুক্রবার কক্সবাজার বেড়াতে আসেন। আজ শনিবার বিকেলে তারা শহর থেকে সাত কিলোমিটার দূরে সাগরপাড়ের সুউচ্চ পাহাড় হিমছড়ির প্রাকৃতিক ঝরনা দেখতে যান। ছাত্রদের কেউ কেউ ঝরনার পানিতে নেমে ছবি তুলছিলেন। আবার কেউ পানিতে গোসল করছিলেন। এ সময় সাব্বিরসহ তিন সহপাঠী রংধনু নামে পরিচিত ঝরনার পাশে পাহাড়ের পাদদেশে দাঁড়িয়ে দৃশ্যটি উপভোগ করছিলেন। একপর্যায়ে প্রায় ১০০ ফুট উঁচু পাহাড়ের চূড়ার পাদদেশে পাহাড়ের একাংশ ধসে পড়ে। পাহাড়ের ধসেপড়া মাটির খণ্ডটির নিচে চাপা পড়েন সাব্বির। অপর দুই সহপাঠীও ধসেপড়া মাটিতে আহত হন।
ঘটনার পরপরই স্থানীয় সেনাবাহিনীর প্রকৌশল বিভাগের সদস্যসহ এলাকার লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদেরকে উদ্ধার করেন। তাদেরকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ইমরান উদ্দিন রুবেল সাব্বিরকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর দুই সহপাঠীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ১৫ জুন হিমছড়িতে পাহাড়ধসে মারা যান সেনাবাহিনীর প্রকৌশল বিভাগের ছয় সদস্য।