বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নাটোরে একটি ঘরে মিলো ৩৫টি গোখরা ও ১৫টি ডিম

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই, ২০১৭
  • ১৬৬ বার পড়া হয়েছে

 

মোঃ আশিকুর রহমান টুটুল, নাটোর জেলা প্রতিনিধি,

রাজশাহীর পর এবার নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার মাধনগর গ্রামের একটি

বাড়িতে ৩৫টি বিষধর গোখরা সাপ ও সাপের ১৫টি ডিম পাওয়া গেছে।

স্থানীয়দের সহায়তায় একে একে সব সাপই মেরে ফেলা হয়েছে। তবে মা

সাপকে ধরা যায়নি।

মঙ্গলবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার মাধনগর গ্রামের মৃত

ফায়েজ উদ্দিন আরিন্দার ছেলে হাসান উদ্দিন আরিন্দার বাড়ির শয়নঘর থেকে

এসব সাপ ও ডিমগুলো উদ্ধার করা হয়। পরে তা পুড়িয়ে মারা হয়।

হাসান আলী আরিন্দা জানান, সোমবার দিবাগত রাতে টিভি দেখা শেষ করে

ঘুমোতে যাওয়ার আগে শয়ন ঘরের মেঝেতে একটি বিষধর সাপ দেখতে পান।

এসময় সাপটিকে মেরে বাহিরে ফেলে দেন তিনি। মঙ্গলবার সকালে বাড়ির

অন্য একটি ঘরে ফের আরও একটি সাপ দেখতে পেয়ে তা মেরে ফেলেন। এসময়

ওই ঘরের মেঝেতে একটি গর্ত দেখতে পান তিনি। পরে ওই গর্ত খুঁড়ে

৯/১০টি তাজা বিষধর গোখরা সাপ পাওয়া গেলে স্থানীয়দের সহায়তায় তা

মেরে ফেলেন। এসময় ১৫টি ডিমও পাওয়া যায় ওই গর্ত থেকে।

পরে ওই গর্তের সুত্র ধরে আরও তিনটি গর্তের সন্ধান পাওয়া যায়। সেখানে

এক এক করে মোট ৩৫টি বিসধর সাপ মারা হয়েছে। সব সাপগুলো মেরে

আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এখনও মা সাপ পাওয়া যায়নি।

সাপগুলোর একেকটি লম্বায় প্রায় দেড় থেকে দুই ফুট লম্বা। তিনি বলেন,

এখন বাড়িতে তারা আতঙ্কে রয়েছেন।

কারন বাড়িতে আরও সাপের বাসা থাকতে পারে এবং যে কোন সময় সাপগুলো

বের হয়ে কামড় দিতে পারে। মাধনগর ইউনিয়নের ৫নং ওর্য়াড সদস্য জয়নাল

আবেদি ডলার জানান, হাসানের বাড়িটি মাটির হওয়ায় ওই ঘরে অসংখ্য

ইঁদুরের গর্ত রয়েছে। আর সেই গর্তগুলোতে সাপ বাসা বেঁধেছিল। শাবল

দিয়ে গর্ত খুঁড়ে খুঁড়ে সাপগুলো মারা হয়েছে। পরে গর্তের মধ্যে ভেতর

পানি ঢেলে দেওয়া হয়েছে। এতে আরও সাপ থাকলে বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা

আছে। এ ঘটনায় এলাকায় একদিকে আতঙ্ক অন্যদিকে চাঞ্চল্যও সৃষ্টি

হয়েছে বেশ।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451