মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:
একসময় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য এই বেঁদেনীরা নৌকায় করে পানি পথে এক
স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করত এবং পানিপথই ছিল তাদের প্রধান
বিশ্রামস্থল। তারা মূলত ছিল সাপুড়ে। স¦র্প খেলা দেখানোই তাদের প্রধান
পেশা ছিল। তাইতো, বিশেষ করে মেয়েরা চুড়ি-ফিতা পরে নববধূর সাজে
বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে স্বর্প খেলা দেখিয়ে সকলের মন জয় করে নগদ অর্থ
উপার্জন সহ ভরপুর ধান,চাউল, তরিতরকারি নিয়ে সন্ধ্যায় যাযাবরি বাসস্থান
নৌকায় ফিরে সংসার করাটাই তাদের ঐতিহ্য ছিল।
কিন্তু বর্তমানে বেঁদেনীদের পেশা ভীতি প্রদর্শন ও প্রতারণামূলক
চাঁদাবাজি প্রধান।
জানাযায়, অভিনব কায়দায় সাধারন মানুষকে স্বর্প দংশনের ভয়ভীতি দেখিয়ে
জীম্মি করে প্রতারণার ফাঁদে নীরব চাঁদাবাজি ও নিরীহ জনগনকে হেনস্ত
করতে মতুয়া সম্প্রদায়ের যাযাবর বেঁদেনী নাম ধারী কিছু প্রতারক চক্র।
সরজমিনে তদন্ত স্বাপেক্ষে” সহকারী প্রান্ত পারভেজকে নিয়ে ঝিনাইদহ জেলা
ঘুরে, জেলার ৬টি উপজেলা বাজারের ভুক্তভোগী বেশ কিছু ব্যবসায়ী ও সাধারন
মানুষের বক্তব্য ছিল একই। তারা বলেন, ঈদকে সামনে রেখে বেঁদেনী নামধারী
প্রতারক চক্রের কয়েকজন সাধারন মানুষের সাথে এ ধরনের অ-সৌজন্যমূলক
আচরন করে চলেছে। তাদের এই অনাকাক্সিক্ষত আচরনে চরম বিব্রতকর পরিস্থিতির
সম্মুখীন হচ্ছেন নগর বাসী। এসময় কিছু ঘটনার দেখা মেলে
কোটচাঁদপুর কাঁচা বাজারে, মহেশপুর কয়েকটি দোকানে, মহেশপুর টু
কালীগঞ্জের লোকার পরিবহনে, ঝিনাইদহের সামাউল এন্ড সন্স শোরুমে।তারা
আরো বলেন, অনেক সময় দেখা যায় কোন ব্যাক্তি টাকা দিতে অপারগতা
দেখালে তার পোশাক টেনে ধরে হেনস্তের মত ঘটনা শিকার হচ্ছেন অনেকেই।
এবিষয়ে, সচেতন মহলের বিশেষ আবেদন এমন ধরনের অযাচিত বৈরী আচরন
থেকে ঝিনাদহবাসী পরিত্রাণ চাই।