সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের ছোট বাহাড়া গ্রামে ব্রীজ নির্মানের দাবী এলাকাবাসীর

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় সোমবার, ১২ জুন, ২০১৭
  • ১৬৬ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর

উপজেলা সদর থেকে দক্ষিনের আটাডাঙ্গা বাওড়ের দুরত্ব ১

কিলো মিটারের বেশী। উত্তরের কুমার নদ থেকে একটি শাখা

খাল এসে আটাডাঙ্গা বাওড়ের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে

দক্ষিনের উজানী গিয়েছে। এই বাওড় ও খালের সংযোগ স্থলে

ছোট বাহাড়া গ্রাম, যা বাওড়ের দক্ষিন পাড় দিয়ে গড়ে

উঠেছে। খাল এবং বাওড়ের সংযোগ স্থলে পারাপারের জন্য

বর্ষা মৌসুমে খেয়া এবং অন্য সময় বাঁশের সাঁকোর

উপর নির্ভর করতে হয়। এ গ্রামের উপর দিয়ে দক্ষিনের গ্রাম

আদমপুর, রসুলপুর, কৃষ্ণপুর, গোপালপুর, পাথরাইল,

গোপ্তরগাতী ও ঝাকোর গ্রামে যেতে হয়। হাট বাজারসহ

বিভিন্ন প্রয়োজনে এ ৮টি গ্রাম থেকে প্রতিদিন

কয়েক হাজার মানুষ মুকসুদপুর সদরে যাতায়াত করে।

বাওড়ের উত্তর পাড় পাকা রাস্তা পর্যন্ত যানবাহনে যাওয়া

আসা যায়। কিন্তু পাঁকা ব্রীজ না থাকায় খাল পার হয়ে

দক্ষিনের ঝাকো পর্যন্ত আরো প্রায় ৫ কিঃ মিঃ রাস্তা পায়ে

হেটে যেতে হয়। রুগী নিয়ে বা মালামাল নিয়ে সদরে

কিংবা অন্য কোথাও যেতে হলে ভিন্ন রাস্তা দিয়ে আরো

প্রায় ৫/৬ মাইল ঘুরে আসতে হয়। এ অঞ্চলের বাসিন্দারা

দীর্ঘ দিন যাবত উক্ত সংযোগ স্থলে একটি পাঁকা সেতুর

আবেদন করে আসলে সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষ কয়েকবার

সরেজমিনে গিয়ে দেখে মাপামাপি করে গেলেও বাস্তবে

কোন ফল হয়নি।

মুকসুদপুরের কৃতি সন্তান এলজিইডি’র বর্তমান চীফ

ইঞ্জিনিয়ার শ্যামা প্রসাদ অধিকারী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ

ভূক্তভোগী ৮টি গ্রামের প্রায় ১৬ হাজার মানুষের

দূর্ভোগের কথা বিবেচনা করে উক্ত স্থানে একটি ব্রীজ

নির্মানের উদ্যোগ নিবেন সে আশায় রয়েছেন

ভূক্তভোগিরা।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451