শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

শৈলকুপায় আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু উচ্ছেদের অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৬ জুন, ২০১৭
  • ৪১২ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ব্রাহিমপুর গ্রামের নিজ ভিটে থেকে

সুশান্ত কুমার দাস নামে এক ব্যক্তিকে সপরিবারে উচ্ছেদ করা হয়েছে।

শৈলকুপা উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন

আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবদার হোসেন মোল্লা ও ব্রাহিমপুর গ্রামের

কুখ্যাত সন্ত্রাসী বাক্কার এই ঘটনার সাথে জড়িত। সোমবার দুপুরে

ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন

সুশান্ত কুমার দাস। এ সময় সুশান্তর স্ত্রী বিজলী রাণী, পরিবারের সদস্য বুলু

রানী, প্রদিপ কুমার, অজয় কুমার ও আকাশ উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয় শৈলকুপার ১৩০ নং ব্রাহিমপুর

মৌজায় ৩৩০ নং হাল দাগে তাদের ৪৪ শতক জমি আছে। সেই জমিতে তাদের

পুর্ব পুরুষরা বসবাস করতেন। সেই সুত্রে জমির ওয়ারেশ প্রাপ্ত হয়ে

দীর্ঘদিন ভোগদখল ও ঘরবাড়ি তুলে বসবাস করছিলেন। কিন্তু ব্রাহিমপুর

গ্রামের তোফাজ্জেল মোল্লার ছেলে ভুমিদস্যু বাক্কার অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাদের

ঘরবাড়ি ভেঙ্গে ও ৮০টি মেহগনি গাছ কেটে দিয়ে পৈত্রিক ভিটে দখল করে

নেয়।

বিষয়টি নিয়ে তারা স্থানীয় উমেদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ

নেতা সাবদার হোসেন মোল্লার কাছে বিচার দিলে তিনি একটি সাদা

কাগজে সাক্ষর নিয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলেন। সেই থেকে আমরা রাতের

অন্ধকারে নাবালক তিনটি সন্তান নিয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে ঝিনাইদহ

শহরে এসে উঠেছি। সাংবাদিক সম্মেলনে বলা হয়, ভিটে বেদখল হওয়ার পর

আমরা কত জায়গায় বিচার নিয়ে গিয়েছি। কেও আমাদের সুবিচার

করেনি। শৈলকুপা থানা পুলিশের দারাস্থ হতে গেলে সেখানেও ভয়ভীতি দেখিয়ে

বারণ করা হয়েছে। সুশান্ত ও তার স্ত্রী বিজলী রানী তাদের পৈত্রিক ভিটা ফিরে

পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451