বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

লালপুরে বর্ষা মৌসুমের ধানের বীজতলা ও জমি প্রস্তুতে ব্যাস্ত কৃষকুল

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় রবিবার, ১৭ জুলাই, ২০১৬
  • ৪০১ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আশিকুর রহমান(টুটুল),নাটোর জেলা প্রতিনিধি।

নাটোরের লালপুর উপজেলার বর্ষা মৌসুমের খরিফ-২ এর রূপা আমন ধান লাগানোর জন্য

বীজতলা ও জমি প্রস্তুতে ব্যাস্ত হয়ে পড়েছেন এই অঞ্চলের কৃষকরা । স্থানীয় সূত্রে,

বাংলাদেশের মানচিত্রে লালপুর থানা সবচেয়ে উচু ও কম বৃষ্টিপাতের এলাকা হওয়ায় এই

অঞ্চলের জমিতে খরিফ-১এর রূপা আউষও রবি মৌসুমের বোরো ধানের চাষ হয় না । যার দরুন

এই অঞ্চলের কৃষকের একমাত্র বর্ষা মৌসুমের রূপা আমন ধানের চাষ করে থাকে । আর এই

বছর চলতি মৌসুমের শুরু থেকে কম বেশী প্রায় প্রতিনিয়ত বৃষ্টি হচ্ছে এবং

আষাঢ়এর শুরু থেকে দেখা মিলেছে আষাঢ়ারের ভাড়ী বর্ষণের । তাই তো এই অঞ্চলের কৃষকরা

ব্যাস্থ হয়ে উঠেছে বর্ষা মৌসুমের ধান লাগানোর জন্য বীজতলা ও জমি তৈরিতে । এ

ব্যাপারে স্থানীয় ধান চাষী ,নূর ইসলাম ,সিরাজুল ইসলাম,সোহেল রানা, আবুল হোসেন ,

হাবিবুর রহমান, মোস্তফা জানায়, এই অঞ্চলে কম বৃষ্টিপাত হওয়ার কারণে অন্যান্য

মৌসুমের খরিফ-১ এর রোপা আউষ ও রবি মৌসুমের বোরো ধানের চাষ হয় না । তাই এই

অঞ্চলের কৃষকগন একমাত্র বর্ষা মৌসুমের খরিফ -২এর রূপা আমন ধানের চাষ করে থাকে ।

এই মৌসুমে আষাঢ় এর প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু করে আষাঢ়ারের ১৫দিন পর্যন্ত বীজতলাই

ধানের বীজ বপনের কাজ চলে । আর আষাঢ়ের ৩০ তারিখ থেকে শুরু করে শ্রাবণের ২০ তারিখ

পর্যন্ত জমিতে ধান লাগানোর কাজ চলে । আবহাওয়া অনুকুল থাকলে এই মৌসুমে

প্রতি ১ বিঘা জমিতে ২০-২৫ মন পর্যন্ত ধানের ফলন হয়ে থাকে । এই অঞ্চলে বর্ষা

মৌসুমের যে সকল জাতের ধানের চাষ হয়ে থাকে তা হলো ,লাল স্বরর্ণা ,গুঠি

স্বরর্ণা,৩৩,বি১১,মিনিকেট,৪৯,৫০, ইত্যাদি জাত সমূহ উল্যেখ্য । তবে দেশীয় জাতের

ধানের তুলনাই হাইব্রিট জাতীয় ধান চাষে রোগ পোকমাকরের আক্রমন কম ও অনান্য দেশীয়

জাতের ধানের তুলনাই বিঘা প্রতি ফলন ও বেশি হওয়ায় এবং উচু নিচু সকল প্রকার

জমিতে চাষ করা যায বলে চলতি বছরে এই অঞ্চলের কৃষকগন হাইব্রিট জাতের ব্রী-

ধান,জিরা শাইল ,সম্পদ এবং উপষী জাতের ব্রী-ধান ৫০,৪৮,৫৫,৫২বিনা ৭ ধান চাষের উপর

বেশী আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451