শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

চলচ্চিত্র পরিচালক পি এ কাজলকে শেষ শ্রদ্ধা

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৫ মে, ২০১৭
  • ৩২৩ বার পড়া হয়েছে

এফডিসিতে আজ বৃহস্পতিবার  দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে চলচ্চিত্র পরিচালক পি এ কাজলকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। এতে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক সমিতির মহাসচিব মুশফিকুর রহমান গুলজার, পরিচালক বদিউল আলম খোকন, শাহিন সুমন, অপূর্ব রানা, মনতাজুর রহমান আকবর, অভিনেতা মিশা সাওদাগর, জায়েদ খান, সোহেল রানা ও চিত্রনায়িকা নতুন প্রমুখ।

মুশফিকুর রহমান গুলজার , ‘পি এ কাজলের পরিবার প্রথমে তাঁর লাশ এফডিসিতে আনতে চায়নি। কারণ লাশের অবস্থা বেশি ভালো ছিল না। এ ছাড়া ধর্মীয় অনেক রীতি নীতি পালনের জন্য অনেক সময়ের দরকার ছিল। যা হোক অবশেষে মাত্র ১০ মিনিটের জন্য  তাঁরা  লাশ এফডিসিতে এনেছে। আমরা সবাই তাঁকে শেষ সম্মান জানিয়েছি।’

পি এ কাজলের ছেলে চয়ন  আচার্য বলেন, ‘আমরা রায়েরবাজারের শ্মশান ঘাটে এখন যাচ্ছি। সেখানে বাবাকে দাহ করা হবে। বাবা চলচ্চিত্র নিয়ে সবসময় ভাবতেন। নিজের শরীরে প্রতি তিনি যত্নবান কম ছিলেন। শরীরের প্রতি তাঁর অবেহলা ছিল। কাজ নিয়ে তিনি বেশি ব্যস্ত থাকতেন। আমরা প্রথমে এফডিসিতে তাঁর লাশ আনতে চাইনি কারণ আমাদের ধর্মীয় রীতি অনেক। সেগুলো শেষ করতে অনেক সময় লেগেছে।  যেহেতু বাবার সময় এফডিসিতে বেশি কেটেছে। পরে এভাবে আমরা লাশ এখানে এনেছি। সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন যেন তিনি স্বর্গবাসী হোন। ’

গতকাল বুধবার রাত ১২টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন পরিচালক পি এ কাজল। দীর্ঘদিন তিনি যকৃতের রোগে আক্রান্ত ছিলেন। কিছুদিন আগে উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি কলকাতা গিয়েছিলেন।

পূর্ণেন্দু আচার্য কাজল চলচ্চিত্র জগতে পি এ কাজল হিসেবেই পরিচিতি লাভ করেন। মৃত্যুর সময় স্ত্রী সুচিত্রা আচার্য, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন তিনি।

পি এ কাজল চাষী নজরুল ইসলামের সহকারী হিসেবে রুপালি জগতে প্রবেশ করেন। ১৯৯১ সালে ‘গোধূলী’ দিয়ে শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। তাঁর উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলো হলো ‘সাব্বাস বাঙালি’, ‘ভণ্ড ওঝা’, ‘গণ দুশমন’, ‘ভালোবাসা আজকাল’, প্রাণের স্বামী’, ‘এক টাকার বউ’ প্রভৃতি।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451