রামগঞ্জ প্রতিনিধি :
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার দক্ষিন নারায়নপুর গ্রামের ছৈয়াল বাড়ির
আব্দুর রশিদের কুমারী মেয়ে সাহনাজ আক্তারের ৭ মাসের শিশু সন্তান
ওমর ফারুক পিতার স্বীকৃতি চায়।
৭ মাসের শিশু সন্তানকে বুকে নিয়ে একই গ্রামের লম্পট ও
প্রতারক বাবুলের বিরুদ্ধে বিচারের দ্বারে ঘুরছে কুমারী সাহনাজ
আক্তার।
জানাযায় দক্ষিন নারায়নপুর গ্রামের ছৈয়াল বাড়ির শাররীক
প্রতিবন্ধী আব্দুর রশিদের কিশোরী মেয়ে সাহানাজ আক্তার (১৪)কে
একই বাড়ির আবুল ছমেদের ছেলে বাবুল হোসেন (৫০) বিয়ের
প্রলোভন দেখিয়ে অনৈতিক কর্মকান্ড জড়িয়ে পড়ে।
এতে শাহানাজ আক্তার অন্ত:সত্ত্বা হয়ে ঘটনাটি গ্রামে ছড়িয়ে
পড়ে। গ্রামের মাতাব্বরগণ ওই সময়ে একাধিকবার সালিসি
বৈঠকে সাহনাজ আক্তার কে বধূ করে নেওয়ার জন্য বাবুলকে আদেশ
দেয়।
বাবুল হোসেন সাহনাজ আক্তারকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি
জানান।
সৃষ্ট ঘটনায় লক্ষ্মীপুর জেলা নারী ও শিশু নির্যাতণ আইণে মামলা
রুজু হয়।
সাহনাজ আক্তার জানান তিনি নারায়নপুর উচ্চ বিদ্যালয় অষ্টম
শ্রেনীর ছাত্রী। বাবুল হোসেন তাকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে
অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে। এতে তিনি অন্ত:সত্ত্বা হয়ে
পড়ে । তখন থেকে বাবুল হোসেন তার সাথে বিয়ের প্রতারণা করে
আসছে। তিনি জানান তার সন্তানের বয়স ৭ মাস। তিনি ৭
মাসের শিশু সন্তানের পিতার স্বীকৃতি ছেয়ে জেলা নারী ও শিশু
নির্যাতণ আইনে আদালতে বাবুল হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা
করেন।
মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বাবুল হোসেনের ভাড়াটে মাস্তানেরা
তাকে হুমকি ধমকি করছে।
সাহনাজের পিতা শাররীক প্রতিবন্ধি আব্দুর রশিদ জানান মামলা
চালানোর ক্ষমতা তার নেই। মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বাবুল হোসেনের
লোকজন হুমকি ধমকি দেয়।
বাবুল হোসেনের মা আমেনা বেগম জানান তার ছেলে বাবুল তিন
মেয়ের পিতা। মামলা গ্রেপ্তারী থাকায় বাবুল পলাতক রয়েছে।
থানার অফিসার ওসি মোহাম্মদ তোতা মিযা জানান বাবুলকে
গ্রেপ্তার চেষ্ঠা চলছে। বাদীকে হুমকির ঘটনা তিনি জানেন না।