রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সংবাদ প্রকাশের জের : মাদ্রাসার অধ্যাক্ষের দৌড়ঝাপ শুরু

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শনিবার, ৮ এপ্রিল, ২০১৭
  • ২১৫ বার পড়া হয়েছে

 

 

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জ ছালেহিয়া কামিল

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো: জালাল উদ্দীনের বিরুদ্ধে ব্যাপক

অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপকর্মের ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে।

এলাকাবাসী এর প্রতিকার চেয়ে লিফলেট ছাপিয়ে তা

প্রশাসন ও সাধারন মানুষের মাঝে বিতরন করেছে। বিভিন্ন

জাতীয়, স্থানীয় ও অনলাইন পত্রিকায় “গোপালগঞ্জ আলীয়া

মাদ্রাসার অধ্যাক্ষের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ :

এলাকায় লিফলেট বিতরন” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর

থেকেই গোপালগঞ্জ আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো: জালাল

উদ্দিনের দৌড়ঝাপ শুরু হয়েছে। নিজেকে দুধে ধোয়া

তুলশী পাতা বানাতে বিভিন্ন স্থানে ধর্না দিয়ে

বেড়াচ্ছে। সংবাদ প্রকাশের পর গোপালগঞ্জ ছালেহিয়া

কামিল মাদ্রাসা মার্কেটের সাধারন ব্যবসায়ীরা

প্রকাশিত সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

অপর দিকে গোপালগঞ্জ আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো: জালাল

উদ্দিন এলাকাবাসীর লিফলেট ও বিভিন্ন পত্রিকায় তার

বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ জানিয়েছেন নিজের

স্বাক্ষরিত লিফলেট বিতরন করে। তিনি তার লিখিত লিফলেটে

উল্লেখ করেন তার বিরুদ্ধে একটি মহল মিথ্যা ভাবে লিফলেট

ছাপিয়ে তার মানহানি করেছেন। তিনি তার প্রকাশিত

লিফলেটে বলেন, আমার অনুপস্থিতিতে আংশিক হিসাব

নিয়ে এ লিফলেট ছাপানো শরীয়ত সম্মত নয়। ওই লিফলেটে

তিনি আরো বলে চেয়ার ক্রয়ের ব্যাপারে ক্রয় কমিটির দেয়া

ভাউচারে তিনি স্বাক্ষর করেছেন অথচ যে দোকান থেকে

চেয়ার ক্রয় করা হয়েছে সেই দোকানদার সাংবাদিকদের কে

জানিয়েছেন আমার কাছ থেকে ফাঁকা মেমো নেওয়া

হয়েছে আমি বিল করে দিতে চাইলে অধ্যক্ষ সাহেব

বলেছিলেন আমি বিল করে নিব। এক রকম জোর করেই তিনি

ফাঁকা মেমো নিয়ে যান।

একটি বিসস্থ সুত্রে জানা যায়, গোপালগঞ্জ আলীয়া

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো: জালাল উদ্দিন মাদারিপুরের একটি

মাদ্রাসায় চাকুরী করা কালিন সময়ে ৩২টি ভুয়া ভাউচারের

মাধ্যমে অনেক টাকা নিজেই আতœসাত করেন যার কারনে

ওই মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির লোকজন ও স্থানীয়

এলাকাবাসী তাকে খুব লজ্জা জনক অবস্থায় সেখান থেকে

বিদায় দেন। এরপর তিনি চলে আসেন গোপালগঞ্জে আলীয়া

মাদ্রাসা।

গোপালগঞ্জ আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো: জালাল উদ্দিনের

বাড়ী বরিশাল হলেও তিনি গোপালগঞ্জে অনেক টাকা খরচ

করে ধুমধামের সাথে মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। তিনি

গোপালগঞ্জে কয়েকটি জায়গা কিনেছেন। নিজে পরিবার

পরিজনসহ মাদ্রাসা মার্কেটের তৃতীয় তলায় আলীশান

ভাবে বসবাস করেন। সেখানে লাগানো আছে ২টি এসি।

অথচ মাদ্রাসা থেকে তিনি কত টাকা বেতন উত্তোলন করেন

তা অনেকেই জানেন। তার বাসার শানশওকত দেখলে মনে হবে

যেন এখানে কোন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তার বসবাস।

একটি বিসস্থ সুত্রে আরো জানা যায়, বিভিন্ন জাতীয়,

স্থানীয় ও অনলাইন পত্রিকায় “গোপালগঞ্জ আলীয়া মাদ্রাসার

অধ্যাক্ষের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ : এলাকায়

লিফলেট বিতরন” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর তিনি

মাদ্রাসার সকল শিক্ষক কে জরুরী মিটিং ডেকে তাদের

কাছে বিগত দিনের সকল অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপকর্মের

জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত গোপালগঞ্জ

আলীয়া মাদ্রাসার শিক্ষকরা তাকে ক্ষমা করেছেন কিনা জানা

যায়নি।

গোপালগঞ্জে আলীয়া মাদ্রাসা মার্কেটের কয়েকজন

ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গোপালগঞ্জ

ছালেহিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো: জালাল উদ্দীনের

বিরুদ্ধে বিভিন্ন জাতীয়, স্থানীয় ও অনলাইন পত্রিকায়

“গোপালগঞ্জ আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যাক্ষের বিরুদ্ধে ব্যাপক

দুর্নীতির অভিযোগ : এলাকায় লিফলেট বিতরন”

শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর তিনি মাদ্রাসা

মার্কেটের টয়লেটে পানি সরবরাহ বন্ধ রাখেন। পরে কয়েকজন

ব্যবসায়ীর হস্তক্ষেপে বিষয়টির মিমাংশা হয়।

এলাকাবাসী ও লিফলেট সুত্রে জানা যায়, গোপালগঞ্জ

ছালেহিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো: জালাল উদ্দীন

দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও

অপকর্ম করে আসছে। লিফলেটে তার ৯টি অনিয়ম,

দুর্নীতি ও অপকর্মের চিত্র তুলে ধরা হয়।

গোপালগঞ্জ ছালেহিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো: জালাল

উদ্দীন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এতিম ও লিল্লাহ বোর্ডিং

এর দানের ১২০০ কেজি চাউল ও ১২৫ কেজি মুশুরের ডাল

নিজেই আতœসাত করেছেন। তিনি মাদ্রাসার আসবাপত্র

কেনার নামে ১৪০০ টাকা মুল্যের চেয়ার ২৬০০ টাকা করে

বিল করে মোট ১৬টি চেয়ারের দাম ১৯.২০০ টাকা

আতœসাত করেছেন। এ ছাড়াও গোপালগঞ্জ ছালেহিয়া

কামিল মাদ্রাসার মসজিদের টাকার কোন হিসাব-নিকাশ

করেন না এবং আদায়কৃত ও দানের টাকা সে নিজেই

হস্তগত করে আতœসাত করেছেন। জাল স্বাক্ষর করে হাজার

হাজার টাকা লুটপাট করেছেন। গোপালগঞ্জ ছালেহিয়া

কামিল মাদ্রাসা মার্কেটের দোকানি ও ভাড়াটিয়াদের কাছ

থেকে অবৈধ ভাবে লক্ষ লক্ষ টাকা আতœসাত করেছেন।

ফাঁকা ও ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে নিজের ইচ্ছা মত অংক

বসিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আতœসাত করেছেন। গোপালগঞ্জ

ছালেহিয়া কামিল মাদ্রাসার গর্ভনিং বডির অনুমোদন

ব্যাতিত অবৈধ ভাবে মোটা অংকের টাকা নিয়ে দোকান

বরাদ্দ দিয়েছেন। এ ছাড়াও অধ্যক্ষের এ সকল অবৈধ

কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করলে তিনি মাদ্রাসার শিক্ষক,

মুসল্লিসহ তাবলিগ জামাতের লোকদের কে অকথ্য ভাষায়

গালিগালাজ করে থাকেন। ইতিপুর্বে তার এ সকল অসদ

আচরন, দুর্নীতি ও অপকর্মের জন্য পুর্বস্থ কর্মস্থল

মাদারীপুর ও চট্রগ্রামের মিরেরশ্বরাই কয়েকটি মাদ্রাসা

থেকে বিতারিত হয়েছেন।

এ ব্যাপারে নাম প্রকাশ না করার শর্তে গোপালগঞ্জ

ছালেহিয়া কামিল মাদ্রাসা মার্কেটের এক ব্যবসায়ী

জানান, গোপালগঞ্জ ছালেহিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ

মো: জালাল উদ্দীন মাদ্রাসায় অধ্যাক্ষের দায়িত্ব নেওয়ার পর

থেকেই তার সকল অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। আমরা তার

কঠিন বিচার চাই।

এ ব্যাপারে নাম প্রকাশ না করার শর্তে গোপালগঞ্জ

ছালেহিয়া কামিল মাদ্রাসা মার্কেটের আরেক ব্যবসায়ী

জানান, অধ্যক্ষ একজন দুর্নীতিবাজ ও পরসম্পদ লোভি লোক

তিনি অনেক অনেক দুর্নীতির সাথে জড়িত। আমরা

অধ্যক্ষের এ সকল অবৈধ কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করলে তিনি

মাদ্রাসার শিক্ষক, মুসল্লিসহ তাবলিগ জামাতের লোকদের

কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে থাকেন।

এ ব্যাপারে গোপালগঞ্জ ছালেহিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ

মো: জালাল উদ্দীনের ব্যবহৃত মোবাইল-০১৯৮৭- ৩৭৫৫৭৬ নম্বরে

যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে কিছু

লোক ষড়যন্ত্র করে ওই লিফলেট ছাপিয়ে বিলি করছে। আমাকে

সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য তারা এ কাজ করছে।

লিফলেটে যা লেখা হয়েছে তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

এলাকাবাসী ও সাধারন মানুষ গোপালগঞ্জ ছালেহিয়া

কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো: জালাল উদ্দীনের বিরুদ্ধে ব্যাপক

অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপকর্মের সকল বিষয়ের সুষ্ঠ তদন্ত

সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী,

শিক্ষামন্ত্রী, মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন

কমিশনের চেয়ারম্যান, জেলা প্রশাসকসহ উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের

আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451