মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:২০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাবা মায়ের হাতে সন্তানের প্রাণহানির সংখ্যা বাড়ছে

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১২ জানুয়ারী, ২০১৭
  • ১৯৪ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ

এক বছরের মধ্যে দেশে বাবা-মায়ের হাতে সন্তানের প্রাণ যাওয়ার সংখ্যা বেড়ে হয়েছে দেড় গুণ। ২০১৫ সালে যে সংখ্যা ছিল ৪০ তা ২০১৬ সালের শেষে এসে দাঁড়ায় ৬০ এ। শিশু অধিকার ফোরামের এই পরিসংখ্যানকে উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করে এজন্য পারিবারিক বন্ধন শিথিল হয়ে আসা, ভোগবাদী সংস্কৃতি ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়কে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।

একটি শিশুর কাছে সবচে বেশি নিরাপদ স্থান তার পরিবার, সুনির্দিষ্ট করে বললে মা-বাবার কোল। আশ্রয়ের সেই জায়গাটি কি কোন কোন শিশুর জন্য ভয়ংকর হয়ে উঠছে? সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা সামনে নিয়ে এসেছে এ প্রশ্ন । শুধু গণমাধ্যমে আসা সংবাদের ভিত্তিতে শিশু অধিকার ফোরাম মা-বাবার হাতে সন্তানের প্রাণ হারানোর যে চিত্র তুলে ধরেছে তা আঁতকে ওঠার মত। তাদের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৪ সালে বাবা-মায়ের হাতে সন্তান হত্যার সংখ্যা ছিল ৪১ জন, ২০১৫ সালে তা ৪০ জন হলেও ২০১৬ সালে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০ এ।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সবচেয়ে পরম নিরাপদ জায়গা বাবা মায়ের কোল। ২০১৪ এবং ২০১৬ সাল বিবেচনা করলে বাবা মায়ের হাতে খুন হওয়ার ঘটনাটা বাড়ছে।

আর এ ধরণের হত্যাকাণ্ডের পেছনে বাবা-মায়ের সাথে সন্তানদের সম্পর্ক শিথিল হয়ে আসার প্রবণতা, তাদের লাগামহীন চাহিদা এবং শহরগুলোতে সনাতন পরিবার কাঠামো ভেঙ্গে পড়াকে দায়ী করছেন সমাজবিদ ও মনোবিজ্ঞানীরা।

তারা বলেন, এখন একটা ভোগবাদী পুঁজিবাদী সমাজ যেখানে বিস্তর প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে চলতে হচ্ছে। আর্থিক ও সামাজিক এই প্রতিযোগিতার কারণে এক সময় মনে আমি বেচে থেকে লাভ কি সন্তান বেচে থেকে লাভ কি? তারা আরো বলেন, আমাদের সামাজিক শৃঙ্খলা দরকার। নৈতিক শক্তিগুলোকে আবার ঠিক করে নেয়া দরকার।

এছাড়া এ ধরণের হত্যাকাণ্ড রোধে সন্তান, মা-বাবা সবাইকে নিয়ে সামাজিক সম্পর্ক জোরদার ও মূল্যবোধ উন্নয়নের বিষয়ে কাউন্সিলিং এর পাশাপাশি পাঠ্যপুস্তকেও এসব বিষয় আরো বেশি করে অন্তর্ভুক্তির কথা বললেন বিশেষজ্ঞরা।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451