শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আশুলিয়ার বিএনপি নেতা হেলাল উদ্দিন দেশের জনপ্রিয় চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক শফিক সাগর: সংগ্রাম থেকে সাফল্যের গল্প পরিবেশ মন্ত্রীর সঙ্গে সাউথ এশিয়া কো-অপারেটিভ এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রামের মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ আশুলিয়ায় গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক ব্যবসায় ফুলেফেঁপে উঠছে কারবারিরা লাখ লাখ টাকার মালিক আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং ও মাদক সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্মি ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে দুই ডাকাত ও কিশোর গ্যাংয়ের তিন সদস্যসহ ৫জন গ্রেফতার ঢাকা জেলার আশুলিয়ায় “জামগড়া পুলিশ ক্যাম্পের” শুভ উদ্বোধন আশুলিয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত! রাজবাড়ী থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী বাস দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় নিখোঁজ অর্ধশশতাধিক মানুষ! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ: বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত ও পুলিশ সংস্কারে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতার আশ্বাস

নোয়াখালীতে স্ত্রী ও শিশু পুত্র সহ ২ জনকে হত্যার দায়ে স্বামীসহ ২জনের ফাঁসি

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় রবিবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৬
  • ৩২৯ বার পড়া হয়েছে

 

এম.এ আয়াত উল্যা, স্টাফ রিপোর্টার, নোয়াখালী : নোয়াখালী জেলা শহর

মাইজদী গুডহিল হাসপাতালে রুমা আক্তার (৩০) ও তার ছেলে আপন (৩) নামে এক

শিশুসহ ২ জনকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার দায়ে স্বামীসহ ২জনকে ফাঁিসর রায়

দিয়েছেন নোয়াখালীর জেলা দায়রা জজ আদালত। রোববার বিকালে এ রায়

প্রদান করেন দায়রা জজ আদালতের বিচারক রেজা তারিক আহাম্মেদ। সাজা

প্রাপ্তরা হলো, লক্ষèীপুর জেলার মুক্তারপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে

মোরশেদ আলম(৩২) ও একই জেলার শুক্কুর মিয়ার ছেলে রুবেল (২০)। মামলা সুত্রে

জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৪ আগষ্ট বিকালে গুডহিল হাসপাতালে জনৈক

মোরশেদ আলম নামে এক ব্যক্তি তার স্ত্রী রুমা আক্তার ও পুত্র আপনকে চিকিৎসার

জন্য এ হাসপাতালে ভর্তি করে। পরের দিন কোন এক সময় পুর্ব পরিকল্পনা

অনুযায়ী স্ত্রী ও পুত্রকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে স্বামী মোরশেদ আলম ও তার

সহযোগী রুবেল। পরে তারা ২জন পালিয়ে যায়। এর পর হাসপাতালের কর্ত্যৃরত

চিকিৎসক ও নাসরা ৪০৭ নং কেবিনের দরজা বন্ধ থাকায় দরজা নাড়া দিলে

কোন সাড়া পেয়ে ওই হাসপাতালের কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। পরে

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রুমের তালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করলে ২জনের মৃত দেহ

পড়ে থাকতে দেখে। পরে থানাকে খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে

ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ

করে। পরে গুহডিল হাসপাতালের মালিক ডাক্তার আবদুল হাই বাদী হয়ে সুধারাম

মডেল থানায় ২৫ই আগষ্ট ২০০৯ সালে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। দীর্ঘ

শুনানীর পর রোববার বিকালে নোয়াখালী জেলা দায়রা জজ আদালতে এ রায় প্রদান

করেন। রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষের আইনজীবি ছিলেন পিপি এড.এটি এম মহ্বি উল্যা।

আসামী পক্ষের আইনজীবি ছিলেন এড. বেলায়েত হোসেন জসিম।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451