বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আধুনিক এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সেন্টারের উদ্বোধন: আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবের পথে নতুন অগ্রযাত্রা  বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আশুলিয়ার বিএনপি নেতা হেলাল উদ্দিন দেশের জনপ্রিয় চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক শফিক সাগর: সংগ্রাম থেকে সাফল্যের গল্প পরিবেশ মন্ত্রীর সঙ্গে সাউথ এশিয়া কো-অপারেটিভ এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রামের মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ আশুলিয়ায় গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক ব্যবসায় ফুলেফেঁপে উঠছে কারবারিরা লাখ লাখ টাকার মালিক আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং ও মাদক সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্মি ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে দুই ডাকাত ও কিশোর গ্যাংয়ের তিন সদস্যসহ ৫জন গ্রেফতার ঢাকা জেলার আশুলিয়ায় “জামগড়া পুলিশ ক্যাম্পের” শুভ উদ্বোধন আশুলিয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত!

গাইবান্ধায় বাঁশজাত কুটির শিল্প বিলুপ্ত প্রায়   এই শিল্প কর্মে নিয়োজিত পেশাদার কারিগররা দুর্ভোগের কবলে  

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় রবিবার, ২১ আগস্ট, ২০১৬
  • ৩৮৫ বার পড়া হয়েছে

 

 

 

 

গাইবান্ধা থেকে শেখ হুমায়ুন হক্কানী ঃ গাইবান্ধার বাঁশজাত কুটির শিল্প এখন বিলুপ্তপ্রায়। ফলে এ শিল্পকর্মে নিয়োজিত প্রায় সাড়ে ৫ হাজার পেশাদার কারিগর এখন চরম দুর্ভোগের শিকার। জীবন জীবিকার প্রয়োজনে তারা তাদের পৈত্রিক পেশাও ছাড়তে পারছে না, আবার এ পেশা আঁকড়ে ধরে খেয়ে পরে বেঁচে থাকাও দুস্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

বাঁশজাত শিল্পকর্মের মধ্যে ডালি, কুলা, চালুন, ঝাঁপি, দোলনাসহ নানা নকশি শো-পিস ক্রেতাদের কাছে জনপ্রিয়। তারপরও বাঁশের তৈরী চাটাই, নকশি করা ঘরের ছাদ, ঝাটা শলাসহ গৃহ¯’ালী কাজে ব্যবহার্য জিনিসের এখনও যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। কিন্তু পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতায় এবং অবাধ বৃক্ষনিধনের মাধ্যমে বনাঞ্চল উজাড় হয়ে যাওয়ায় জেলায় ব্যাপক হারে বাঁশঝাড়ও বিলুপ্ত হয়ে গেছে।

 

এছাড়া তি¯-া ও ব্রহ্মপুত্র নদী তীরবর্তী এলাকায় ইতোপূর্বে প্রচুর বাঁশ বন থাকলেও অব্যাহত নদী ভাঙনে বাঁশঝাড়ের সবচাইতে বেশি ক্ষতি হয়েছে। ফলে বাঁশ প্রধান এ অঞ্চলে এখন বাঁশের সংকট। সে জন্য বাঁশজাত শিল্পকর্মের জন্য প্রয়োজনীয় বাঁশের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির কারণে উৎপাদন ব্যয় বহুলাংশে বাড়লেও আনুপাতিক হারে বিক্রয় মুল্য বাড়েনি। কারণ বাঁশজাত কুটিরশিল্পে নিয়োজিত হত দরিদ্র ভাঙন কবলিত ছিন্নমুল মানুষ জীবন জীবিকার তাগিদে নারী পুর”ষ উভয়েই শ্রমে নিয়োজিত হতে বাধ্য হ”েছন।

 

সেজন্য জেলার বাঁশজাত কুটির শিল্পে নিয়োজিত দরিদ্র পাটনী পরিবারগুলোকে সহজ শর্তে জামানতবিহীন ঋণ সহায়তা প্রদান করা হলে এই কুটির শিল্প যেমন বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা পেত। তেমনি বাঁশজাত শিল্পর কারিগররা পৈত্রিক পেশাকে উপজীব্য করে জীবন জীবিকা চালিয়ে নিতে সক্ষম হতো।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451