বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রবাসীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে সরকার – ইরান-ইসরাইল যুদ্ধে নিহত প্রবাসীর জানাযায় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ভূমিকম্প পরবর্তী উদ্ধার অভিযানে ঢাকা মহানগরে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক তৈরি করা হচ্ছে-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী ঠাকুরগাঁওয়ে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, এসপি বরাবর অভিযোগ মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে দোয়ার অনুরোধ ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের খালে মাছের চাষ ও খালপাড়ে গাছ লাগানো হবে- আসাদুল হাবিব দুলু এমপি  ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সালসহ ভারতে গ্রেপ্তার ২ এবার স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে কোনো আলোকসজ্জা করা হবে না- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাগেরহাটের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক দল  চট্টগ্রাম মহানগর প্রস্তুতি কমিটির আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে যুবলীগ ক্যাডার একাধিক হত্যা মামলার আসামী টেডি দিদার খুন

শারীরিক প্রতিবন্ধকতা দমাতে পারেনি সাতক্ষীরার তালা মহিলা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী সীমা আক্তারকে।

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শনিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৬
  • ২৬৮ বার পড়া হয়েছে

 

 

 

সেলিম হায়দার,তালা

 

স্বাভাবিকভাবে হাঁটার সক্ষমতা তার নেই। অন্যের সাহায্য ছাড়া চলতেও পারেন না, এমনকি দাঁড়াতে গেলেও অন্যের সহযোগিতা নিতে হয় তাকে। তবু শারীরিক প্রতিবন্ধকতা দমাতে পারেনি সাতক্ষীরার তালা মহিলা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী সীমা আক্তারকে। দরিদ্র বাবার একার উপার্জনের সংসারে থেকেও এবার এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ- ৪.০৮ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন সীমা।

 

তালা উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের প্রসাদপুর গ্রামের আব্দুল আজিজ গোলদারের মেয়ে সীমা আক্তার। তিন বোনের মধ্যে সীমা ও রেহানা প্রতিবন্ধী।  বড় বোন রোমেছার বিয়ে হয়েছে পাশের পাইকগাছা উপজেলার রহিমপুর গ্রামে।

 

সীমার বাবা আব্দুল আজিজ গোলদার নসিমন (ইঞ্জিনভ্যান) চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। আগে মোটামুটি আয় হলেও এখন আয়-উপার্জনে ভাটা ‍তার। মাত্র সাড়ে ছয় শতক জমির ওপর বসতবাড়িটাই তার সম্বল।

 

সীমা জানান, অনেকে কষ্টে পড়াশোনা করছেন তিনি। বাবা একা উপার্জনশীল হওয়ায় সবসময় টানাটানি লেগেই থাকা। তার ওপর পড়াশোর খরচ। অনেকটা খেয়ে না খেয়েই দিন পার করছেন, তবে পড়োশানা থামিয়ে দেননি। সীমা জানান, তার কলেজের শিক্ষকরাও তার জন্য শ্রম দিয়েছেন, সবরকম সহায়তা করেছেন।

 

শারীরিক প্রতিবন্ধকতা জয় করা সীমা বলেন, ‘আমি আর পড়তে পারবো কিনা জানিনা।  আমার বাবার পক্ষে খরচ যোগানো সম্ভব নয়। পেটে ভাত জুটছে না আবার লেখাপড়া।

 

সীমার বাবা আব্দুল আজিজ গোলদার বলেন, মেয়েটার কষ্ট দেখলে চোখের পানি আর ধরে রাখতে পারিনা। ও কত কষ্ট করে কলেজ করেছে। সবার ভ্যানে তালায় (শহরে) যেতে লাগে ৫ টাকা।  আর আমার মেয়ের লাগে ১০ টাকা। মেয়ে সামনে ছাড়া বসতে পারে না।  এজন্য টাকাও বেশি দিতে হয়।

 

তিনি জানান, মেয়ে প্রতিবন্ধী হওয়ার কারণে অনেক ভ্যান তাকে নিতে চায় না।  কারণ মেয়ে সামনে ছাড়া বসতে পারে না।

 

তালা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান জানান, সীমা খুব কষ্ট করে লেখাপড়া করেছে। সীমা ভালো একজন ছাত্রী।

 

তিনি বলেন, কলেজের পাশাপাশি আমরা ব্যক্তিগতভাবে সীমাকে সহযোগিতা করেছি। সীমার চেষ্টা আছে, সে অনেক বড় হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451