মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশ কর্তৃক ৫২ কেজি গাঁজাসহ একজন পেশাদার মাদক কারবারী গ্রেফতার একটি গাড়ী ‍উদ্ধার বাংলাবাজার পত্রিকার সাংবাদিক জাহাঙ্গীর প্রধানকে প্রাণনাশের হুমকি-আশুলিয়া থানায় জিডি পশ্চিম ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে তৎপরতা, আলোচনায় একাধিক নেতা আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তিকে বাংলাদেশে আর কোনদিন রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিরপুরের ঐতিহ্যবাহী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে সুশাসন ও শিক্ষার মান উন্নয়নের সুবাতাস বইছে প্রতিবেশী দেশ থেকে মাদক ঢুকিয়ে যুবসমাজ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে : প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সাভারে এসআই আলতাফ হোসেন হত্যা: জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নরওয়ের সাথে স্থানীয় সরকারে কারিগরি সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা এলজিআরডি মন্ত্রীর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইআরআই প্রতিনিধিদলের বৈঠক

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গোলমহলের মধ্যে পাকা ভবন নির্মাণ !

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২৩ মার্চ, ২০১৮
  • ৪২৫ বার পড়া হয়েছে

সুজয় চক্রবর্ত্তী পটুয়াখালী প্রতিনিধি ঃ
পটুয়াখালীর কলাপাড়ার বালিয়াতলী লঞ্চঘাট এলাকার গোলমহলের মধ্যে নির্মাণ করা হচ্ছে
পাকা স্থাপনা। গত এক সপ্তাহ ধরে প্রকাশ্যে এই পাকা স্থাপনা নির্মাণ কাজ চললেও
বনবিভাগ কিছুই জানেন না।
সরেজমিনে দেখা যায়, গোলমহল ব্যারিকেড দিয়ে প্রকাশ্যে পাকা স্থাপনা নির্মাণ কাজ
করছেন স্থানীয় নুর সায়েদ ফরাজী। সে ওই গোলমহলের জায়গা নিজের দাবি করে এই
স্থাপনা তুলছেন। অথচ কয়েক যুগ আগে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছ থেকে বন
বিভাগ জায়গা নিয়ে এই গোলমহল তৈরি করেন। প্রতিবছর এই গোলমহল ইজারাও দেয়া
হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বালিয়াতলী বন বিভাগের ফরেষ্ট গার্ড মো. কবির এই বিষয়টি
জানলেও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণে কোন বাঁধা দিচ্ছেন না। এ কারণে গোল মহলের মধ্যে
পাকা স্থাপনা নির্মান কাজ শেষ হওয়ার পর এখন চলছে গোলগাছের মধ্যেই সীমানা ওয়াল
নির্মাণ কাজ। ইতিমধ্যে একাধিক গাছ কেটে ফেলাও হয়েছে।
গোলমহলে স্থাপনা নির্মানকারী ব্যবসায়ী নুর সায়েদ ফরাজী জানান, ক্রয় সূত্রে ওই জামির
মালিক তিনি। গোলমহলের মধ্যে না নিজের জায়গায় স্থাপনা নির্মাণ করেছেন তিনি।
ফরেস্টের লোকজন এসে কাজ বন্ধ করতে বলায় এখন কাজ বন্ধ রেখেছেন।
এ ব্যাপারে ফরেষ্ট গার্ড মো. কবির জানান, গোলমহলের ৬৫ ফুট জায়গা তাদের। তাই
স্থাপনা নির্মাণের খবর পেয়েই তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন।
বন বিভাগের মহীপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ জানান, তিনি বিষয়টি জানার পরই
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে জন্য বলেছেন। কেউ অবৈধ স্থাপনা তুললে কিংবা বন
বিভাগের গাছের ক্ষতি করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451